সোনারগাঁ সংবাদদাতা
যারা ক্ষমতায় যাওয়ার আগেই মায়েদের কাপড় খুলে নিতে চায়, তারা ক্ষমতায় গেলে বাংলাদেশের মানুষকে বিবস্ত্র করে ফেলবে। তাদের হাতে আমার মা-বোনের ইজ্জত নিরাপদ নয় বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার।
গতকাল নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকায় ট্রাকস্ট্যান্ডে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর আমীর মাওলানা আব্দুল জব্বারের সভাপতিত্বে ও নারায়ণগঞ্জ জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মোঃ হাফিজুর রহমানের সঞ্চালনায় ১১ দলীয় নির্বাচনী বিশাল জনসমাবেশে প্রধান অতিথি বক্তব্যে এসব কথা বলেন। এসময় সমাবেশে অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা জামায়াতের আমীর আলহাজ্ব মমিনুল হক সরকার, নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে ১১ দল মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও শিক্ষা বিভাগীয় সেক্রেটারি প্রিন্সিপাল ড. ইকবাল হোসাইন ভূইয়া,
নারায়ণগঞ্জ-২ (আড়াইহাজার) আসনে ১১ দল মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও জামায়াত নেতা অধ্যাপক ইলিয়াস মোল্লা, নারায়ণগঞ্জ -১( রুপগঞ্জ) আসনে ১১ মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও জামায়াত নেতা আনোয়ার হোসেন মোল্লা, নারায়ণগঞ্জ-৪( ফতুল্লা) আসনে ১১ দল মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও এনসিপি নেতা এডভোকেট আব্দুল্লাহ আল- আমিন, নারায়ণগঞ্জ -৫(বন্দর) আসনে ১১ দল মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও খেলাফত মজলিশের কেন্দ্রীয় নেতা এবিএম সিরাজুল, নারায়ণগঞ্জ জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মোঃ হাফিজুর রহমান, নারায়ণগঞ্জ জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি ও মিডিয়া বিভাগের তদারককারী আবু সাঈদ মোঃ মুন্নাসহ ১১ দলীয় নারায়ণগঞ্জ জেলা ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ এবং ১১ দলের ৫ থানা থেকে আগত হাজার হাজার নেতা-কর্মী।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন,সিদ্ধিরগঞ্জ আমার একটি স্মৃতি বিজরিত জায়গা। কারাগারে বসেও আমি ও মাওলানা মামুনুল হক সিদ্ধিরগঞ্জে গাড়ি পোড়ানোর মামলা খেয়েছি। যারা রাষ্ট্রক্ষমতায় ছিল তারা কি বুকে হাত দিয়ে বলতে পারবে তারা দুর্নীতি করে নাই। চাঁদাবাজি করে নাই, দমন- পীড়ন করে নাই। খুন, ঘুম ও চাঁদাবাজি সব করেছে। হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে। বিএনপি’র চেয়ারপার্সন তারেক রহমান বলেছেন, আমরা সরকারে থাকতে দুর্নীতি করেছি তারাও তো আমাদের সাথে ছিল। তারা কেন পদত্যাগ করিনি? আমীরে জামায়াত বলেছেন,দুর্নীতির মহাসাগরে থেকেও যে আমাদের নেতারা সৎ থাকতে পারে সেই প্রমাণ দিতে আমরা পদত্যাগ করিনি। তিনি আমীরে জামায়াতের সাথে যোগ করে বলেন, এ সমাজের সাধারণ মানুষদের ভুল বুঝানো হয়েছিল। দাড়ি-টুপিওয়ালারা কিভাবে দেশ চালাবে।তাদের সেই যোগ্যতা নেই। দাড়িওয়ালা টুপিওয়ালারা যে দেশ চালাতে পারে সেই প্রমাণ দেওয়ার জন্য আমরা সেদিন পদত্যাগ করিনি। আমরা তিনটি মন্ত্রণালয় চালিয়েছি এক টাকার দুর্নীতি ও পাওয়া যায়নি। এটি পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল। আমরা এমন এক রাষ্ট্র গঠন করব যেখানে কোন দুর্নীতি থাকবে না। আমরা শিক্ষার এমন সমন্বয় সাধন করব যেখান থেকে পড়াশোনা শেষ করে আমাদের ছেলেমেয়েরা প্রযুক্তি বিজ্ঞান, জ্ঞান- গবেষণায় পৃথিবীর বুকে বাংলাদেশকে তুলে ধরবে।আইন আদালতে ন্যায়বিচার কায়েম করব। ব্যবসা-বাণিজ্য সিন্ডিকেট মুক্ত করে অর্থনীতির চাকাকে সচল করব। বিএনপি বলে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড দিবে। ভূয়ার তো একটা লিমিট থাকা দরকার। ১৮ কোটি মানুষ ৫০ কোটি ফ্যামিলি কার্ড দিবে। এটি হাসিনার ১০ টাকা কেজি চাউলের মত হয়ে গেছে। ১০ টাকা কেজি চাউলের কথা বলে ক্ষমতায় এসেছিল। পরে দশ টাকা কেজি চাউল আর দিতে পারেনি। আমরা ৬০ বছরের ঊর্ধ্বে ও ৫ বছরের নিচের শিশুদের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দিব। গর্ভবতী মায়েদের সরকারি খরচে চিকিৎসা দেওয়া হবে। আমরা এমপি মন্ত্রী হলে স্বল্প মূল্যের সরকারি প্লট, জায়গা, জমি, ফ্লাট ও গাড়ি নিব না। প্রত্যেক এমপিকে বরাদ্দকৃত টাকার জনগণের সামনেই হিসাব দিতে হবে। দাঁড়িপাল্লার জোয়ার দেখে তাদের মাথা খারাপ হয়ে গেছে। এখন তারা বলছে দাঁড়িপাল্লা বিজয়ী হলে এ দেশ নাকি পাকিস্তান হয়ে যাবে। হিন্দু মা বোনদের বলে আপনারা শাখা সিদুর পরতে পারবেন না। বোরকা পরে ঘরে বসে থাকতে হবে। ভোটারদেরকে ভয় দেখায়। তিনি বলেন, ভোটকেন্দ্রে যেতে দিবে না। কোন ভয় নেই ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হচ্ছে। প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সেনাবাহিনী মোতায়েন থাকবে। ভোটারদের উপর হামলা করা হচ্ছে। মা বোনদের হিজাব নেকাব খুলে নেওয়া হচ্ছে। যারা ক্ষমতায় যাওয়ার আগেই মায়েদের কাপড় খুলে নিতে চায়, তারা ক্ষমতায় গেলে বাংলাদেশের মানুষকে বিবস্ত্র করে ফেলবে। তোমাদের হাতে আমার মা বোনের ইজ্জত নিরাপদ নয়। তিনি বলেন তোমরা শেরপুরে আমার ভাই কোরআনের হাফেজ রেজাউলকে পিটিয়ে পিটিয়ে হত্যা করেছো। পাথর দিয়ে চাঁদাবাজি করতে গিয়ে মানুষ মেরেছো। ক্ষমতায় যাওয়ার আগেই যারা মানুষ হত্যা করে আমি নারায়ণগঞ্জের জনগণকে আহবান জানাই আপনারা ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে তাদেরকে লাল কার্ড দেখিয়ে দিবেন। তিনি বলে বিএনপি এখন আমাদের উপর সাইবার অ্যাটাক শুরু করেছে। আমীরে জামায়াত যা বলেননি টুইটার একাউন্ট হ্যাক করে তা ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। নৈতিকতা ও আদর্শ দিয়ে মোকাবেলায় ব্যর্থ হয়ে তারা এখন মিথ্যার আশ্রয় নিচ্ছে। সত্য সমাগত মিথ্যা বিলুপ্ত হবেই। আপনারা দেশবাসীকে বলবেন তাদের এই মিথ্যায় বিশ্বাস করবেন না।
নির্বাচনী সমাবেশে নারায়ণগঞ্জ জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি ও মিডিয়া বিভাগের তদারককারী আবু সাঈদ মোঃ মুন্না বলেন, জুলাই যোদ্ধারা ও সাধারণ জনগণ তাদের রক্ত দিয়ে বাংলাদেশ কে ফ্যাসিস্ট মুক্ত করেছে।কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের সাথে লক্ষ করছি প্রশাসনের লোকজন ফ্যাসিস্টদের সহযোগিতা করছে। প্রশাসনের ভাইদের দায়িত্বশীল আচরণ করার উদাত্ত আহবান জানাই।
লেবার পার্টির নারায়ণগঞ্জ জেলা সভাপতি শাহজাহান ব্যাপারী বলেন, নারায়ণগঞ্জ বাসীর উদ্দেশ্যে বলতে চাই এবার সঠিক সিদ্ধান্ত নিন। আর যেন কোন বাবাকে কাদতে না হয়। আর যেন কোন মাকে কাদতে না হয়। আর যেন কোন ৫ আগস্ট না আসে।
এবি পার্টির নারায়ণগঞ্জ জেলা সভাপতি শাহজাহান ব্যাপারী বলেন, প্রশাসনের ভাইদের ব্যবহার করা হচ্ছে। যারা হাসিনা কে খুশি করার কাজ করে ছিল তারা আজ জেল খাটছে। আপনারাও যদি সেই পথে হাটেন আপনাদের ও সেই পরিণতি হবে।
এলডিপির নারায়ণগঞ্জ জেলার সভাপতি কামাল প্রধান বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারীতে ১১ দলীয় প্রার্থীকে বিজয়ী করতে আমাদের শীর্ষনেতৃবৃন্দের নির্দেশনা মোতাবেক কাজ করতে হবে।
এনসিপি কেন্দ্রীয় নেতা তুহিন মাহমুদ বলেন, আমরা এক আশ্চর্য নগরীতে বসবাস করি। এখানে জাহাজ ভাড়া এনে কেটে বিক্রি করে ফেলে।দিনে ৭০-৮০ রাকাত নফল নামাজ পড়ে। এখন আবার সেই আউলিয়াদের জায়গা কেউ কেউ দখল করে নিয়েছে। আপনারা যদি এই আউলিয়াদের হাত থেকে বাচতে চান তাহলে ১২ তারিখে ১১ দলীয় প্রার্থীকে বেছে নিতে হবে।
এনসিপির কেন্দ্রীয় সংগঠক শওকত আলী বলেন, জনগণ সত্যের পক্ষে চাঁদাবাজদের বিপক্ষে রায় দিবে।
খেলাফত মজলিশ নারায়ণগঞ্জ জেলা সভাপতি হাফেজ কবির হোসাইন বলেন, মানুষদের জালিমদের হাত থেকে রক্ষা করতেই আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়েছি।
নারায়ণগঞ্জ-১ (রুপগঞ্জ) আসনে ১১ দল মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী আনোয়ার হোসেন মোল্লা বলেন, নির্বাচন ১২ তারিখ হবে কিন্তু এখনি বুঝতে পারছি যদি নিরপেক্ষ নির্বাচন হয় আমরা ৮০% ভোট পাবো। প্রশাসন যদি অন্যায় ভাবে কোন ফ্যাসিস্ট কে ক্ষমতায় বসাতে চায় তাহলে আবার ৫ আগস্ট হবে।
নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা) আসনে ১১ দল মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ন সম্পাদক এডভোকেট আব্দুল্লাহ আল- আমিন বলেন, বাংলাদেশকে ফ্যাসিস্ট চাঁদাবাজ ম্মক্ত কিরার লক্ষেয বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ব্যাপক সেকরিফাইজ করে ১১ দলীয় জোট গঠন করেছে। আমরা একটি সমৃদ্ধ সুন্দর ও চাঁদাবাজ মুক্ত নারায়ণগঞ্জ গঠন করতে চাই। আমরা দেখছি কেউ কেউ মনে করছে ফ্যাসিস্ট হাসিনার মতো হুমকি দিয়ে সন্ত্রাস ও চাঁদ বাজী করতে কিন্তু আমরা বলতে আর কেউ ফ্যাসিস্ট হতে পারবে না। দলের স্বার্থে জোটের স্বার্থে দ্বীনের স্বার্থে ভারতীয় আধিপত্যবাদ মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার স্বার্থে ১১ দল মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থীদের বিজয়ী করে ঘরে ফিরবো ইনশাআল্লাহ।
নারায়ণগঞ্জ-২ (আড়াইহাজার) আসনে ১১ দল মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী অধ্যাপক ইলিয়াস মোল্লা বলেন, আমি ১৯৭১ দেখেছি, ২০২৪ এর জুলাই দেখেছি। অনেকে ১৯৭১ এ আমাদের ভূমিকা নিয়ে কথা বলেন। তারেক রহমান যেভাবে কথা বলেন বুঝার উপায় নাই তিনি জিয়াউর রহমানের ছেলে, খালেদার জিয়ার ছেলে। আপনি ভারতীয় ন্যারেটিভ নিয়ে আর মিথ্যাচার করবেন না। আজ বিভিন্ন স্থানে আমাদের উপর হামলা হচ্ছে। প্রশাসন নীরব ভূমিকা পালন করছে। আমি আপনাদের হুশিয়ার করে দিচ্ছি এভাবে আমাদের দমিয়ে রাখা যাবে না।
নারায়ণগঞ্জ-৫ (বন্দর) আসনে ১১ দল মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় নেতা এবিএম সিরাজুল মামুন বলেন, পুরোনো বস্তাপচা রাজনীতির মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশ গড়া সম্ভব নয়। নতুন বাংলাদেশ গড়তে হলে নতুন মানুষ দরকার। ১১ দলীয় প্রার্থীগণের বিজয়ের মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশ গড়া হবে ইনশাআল্লাহ। মাদকের কারবারিরা তোমরা সাবধান হয়ে যাও আর মাদকের ব্যবসা করতে পারবা না। ১২ তারিখ তোমরা জবাব পেয়ে যাবে।
নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে ১১ দল মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য প্রিন্সিপাল ড. ইকবাল হোসাইন ভূইয়া বলেন, ১২ তারিখের জন্য আপনাদের হাতগুলো শান দিতে হবে। ষড়যন্ত্রকারী পরিকল্পনা করে আর আল্লাহ ও পরিকল্পনা করেন। আর আল্লাহর চেয়ে বড় পরিকল্পনাকারী কে আছে। আল্লাহর পরিকল্পনা এই জমিনে বাস্তবায়িত হবেই হবে ইনশাআল্লাহ।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ জেলা জামায়াতের আমীর আলহাজ্ব মমিনুল হক সরকার বলেন, আপনারা জানেন বিগত ৫৪ বছরে অনেক নেতা নেত্রী ক্ষমতায় এসেছিল।কিন্তু মানুষের ভাগ্যর পরিবর্তন হয়নি। একটা দলের নেতা কর্মীরা আমাদের নেতাকর্মীদের উপর হামলা করছে। নির্বাচনী প্রচার সামগ্রী নষ্ট করে ফেলছে । আমি আপনাদের সাবধান করে দিচ্ছি।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর সাবেক আমীর আলহাজ্ব মাইনুদ্দিন বলেন, এদেশের ভোটারদের কাছে আমার আবেদন কাউকে ভয় পাবেন না। যারা ভয় দেখাতো তারা কেউ দেশে থাকতে পারেনি। কাজেই ভয় পাওয়ার কিছু নেই। প্রশাসনের কাছে দাবি জানাই আপনারা নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করবেন। যারা সন্ত্রাসী করতে চায় তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবেন।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর আমীর মাওলানা আব্দুল জব্বার বলেন, ২০২৪ জুলাইয়ের পরে আর কোন ভাই- বোনকে হারাতে হবে না বলে আমরা মনে করেছিলাম। কিন্তু এখনো আমাদের ভাইদের শহিদ হতে হচ্ছে। রাজনীতি মানে প্রতিযোগীতা কিন্তু যে রাজনীতি মানুষ হত্যা করে সে রাজনীতি কে মানুষ লাল কার্ড দেখিয়েছে৷ আজ শহিদ পরিবার কে সাক্ষ্য রেখে কথা দিচ্ছি বাংলাদেশে আর কোন ফ্যাসিস্ট হতে দেবো না। কোন কোন দল নারায়ণগঞ্জ কে আবার সন্ত্রাসী নগরী হিসেবে গড়তে চায়। তারা মা- বোনদের হিজাব- নেকাব টেনে খুলে ফেলে। কেউ কেউ জামায়াতে ইসলামী কে মিথ্যাবাদী বলছে। তারা বিদেশে ছিল তারা আমদের ত্যাগ তিতিক্ষা দেখেননি।আগামীর বাংলাদেশ ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে গঠিত হবে ইনশাআল্লাহ।