জামালপুরে জামায়াতে গণসংযোগে হামলার প্রতিবাদ জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জামালপুর জেলা শাখার আমীর মাও. মোঃ আব্দুস সাত্তার ও সেক্রেটারি এড. মোঃ আব্দুল আওয়াল এক যুক্ত বিবৃতিতে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন ৮ নবেম্বর (শনিবার) সকাল ১১ টায় জামালপুর-৫ (সদর) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুস সাত্তার সদর উপজেলার রানাগাছা ইউনিয়নের বানারেরপাড় মাদরাসা সংলগ্ন এলাকায় গণসংযোগে করতে থাকেন। এলাকায় গণসংযোগ চলাকালে স্থানীয় যুবদলের সাধারণ সম্পাদক জাকির উল্লাহ শিপলুর নেতৃতে বিএনপির একদল সন্ত্রাসী নেতা-কর্মী গণসংযোগ কাজে বাধা দেন। একপর্যায়ে স্থানীয় বিএনপির ১০/১২ জনের একটি দল লাঠি-সোটা ও বিভিন্ন ধরনে দেশী অস্ত্র ব্যবহার করে জামায়াত নেতা-কর্মীদের ওপর বর্বরোচিত হামলা চালায়। সন্ত্রাসীদের হামলায় জামায়াত কর্মী পাবলু, মোতালেব, শাহীন, খাবিরুল, আবুল কালাম সহ অন্তত ১০ জন আহত হন।
অপর দিকে গতকাল ৭ নবেম্বর বাদ এশা মেলান্দহের মাহমুদপুর বাজারস্থ জামে মসজিদে নামায শেষে গণসংযোগের উদ্দেশ্যে বের হওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয় বিএনপির এক দল সন্ত্রাসী জামায়াত নেতাকর্মীদের ওপর অর্তকিত ভাবে হামলা চালায়। এতে মাহমুদপুর ইউনিয়নের সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা রবিউল ইসলামকে সন্ত্রাসীরা আক্রমন করে হাত ও পা ভেঙ্গে দিয়ে গুরুত্বর আহত করেন। আহত রবিউলকে প্রথমে মেলান্দহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসকগন উন্নত চিকিৎসার জন্য জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করেন এবং চিকিৎসাধীন আছেন।
দুপুর ২টায় বানারের পাড়ে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
প্রতিবাদ সমাবেশে নেতৃবৃন্দ বলেন, প্রকাশ্য দিবালোকে জামায়াত কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনা অত্যন্ত ন্যক্কারজনক। বিএনপির লোকজন পরিকল্পিতভাবে তাদের ওপর এই হামলা চালিয়েছে। বিএনপির নেতা কর্মীর এহেন বর্বরোচিত হামলা আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র বলে আমরা মনে করি।
অবিলম্বে জামায়াত কর্মীদের ওপর হামলাকারীদের গ্রেফতার করে উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি নেতৃবৃন্দ আহ্বান জানান।