নোয়াখালী সংবাদদাতা

নোয়াখালী জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে নমুনা সংগ্রহের (স্যাম্পল কালেকশন) চাহিদাপত্র রবিবার সকাল ৯টায় পাওয়ার পর, নির্যাতিতা নারীর শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে বলে নিশ্চিত করেছেন ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী।

এ ঘটনায় ৩ সদস্যের একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। বর্তমানে বোর্ড সদস্যরা ভুক্তভোগীর প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছেন। উল্লেখ্য, নির্যাতিতা ওই নারী গত শনিবার বিকাল থেকে হাসপাতালে ভর্তি আছেন এবং সেখানে তার চিকিৎসা চলছে।

ভুক্তভোগী নারীর সাথে মুঠোফোনে কথা বলেছেন প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের প্রতিনিধি ও পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। তারা ওই নারীকে সব ধরনের আইনি সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন।

গতকাল ভুক্তভোগী নারীকে দেখতে হাসপাতালে যান নোয়াখালী জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, পুলিশ সুপার টি. এম. মোশাররফ হোসেন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুব আলমগীর আলো এবং সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশীদ আজাদ। এছাড়া চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান শামীম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

জেলা জামায়াতের আমীর ইসহাক খন্দকার নিশ্চিত করেছেন যে, অনিবার্য কারণবশত জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান এবং এনসিসিপি আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের আজকের নোয়াখালী সফর স্থগিত করা হয়েছে।

হাতিয়া থানার ওসি সাইফুল আলম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মারামারি ও নির্যাতনের ঘটনার সত্যতা পেয়েছেন। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন জানান, “ঘটনাটি অত্যন্ত আলোচিত হওয়ায় আমরা স্বপ্রণোদিত হয়ে তদন্তের জন্য নমুনা সংগ্রহের চাহিদাপত্র দিয়েছি। তবে এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ বা মামলা দায়ের করা হয়নি। ভুক্তভোগী চাইলে যেকোনো সময় অভিযোগ দিতে পারবেন।”