মুরাদনগর (কুমিল্লা) সংবাদদাতা : কম দামের বেশি ভাল হওয়ায় দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে গাড়ল পালন। এরই মাঝে গাড়ল পালনে কৃষক সাফল্য অর্জন করেন। গাড়ল পালন করে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন ও দেখছেন।

কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলা ১০ নং যাত্রাপুর ইউনিয়ন মোচাগড়া উত্তর পশ্চিম পাড়া মৃতঃ তালেব আলী ছেলে আবু ইউসুফ গড়াল পালন করে লাভবান হচ্ছেন এই উদ্যোক্তা।

গাড়ল খামারী মোহাম্মদ আবু ইউসুফ বলেন, প্রথমে ১৪ টি মা ও পুরুষ গড়াল ৩ লাখ টাকায় কিনে বাড়ীতে পালন করতে থাকি। এখন আমার খামারে ৫০টির বেশি গাড়ল রয়েছে। একটি বিক্রি ৩টি নিজেরা খেয়েছি।

গাড়লের মাংস অনেক সুস্বাদু ও পুষ্টগুণেও বেশ ভালো। দেশের বিভিন্ন স্থানে গাড়লের মাংসের ব্যাপক চাহিদা। আমাদের স্থানীয় বাজারে প্রতি কেজি মাংস ১১শ’-১২শ’ কেজি ধরে বিক্রি হয়। বাড়ী ও মাঠে ছেড়ে দিয়ে প্রাকৃতিক খাবার ঘাষ,খড় ও লতাপাতা খেয়ে থেকেই গাড়ল পালন করা সম্ভব।

মুরাদনগর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মোহাম্মদ আলী বলেন, মুরাদনগর উপজেলায় ৭/৮ টি খামারী ও ক্ষুদ্র গাড়লের খামার রয়েছে। গাড়ল একটি স্মল রোমিনেন্ট ছাগল -পঞ্জা ভেড়া এজাতির প্রাণি। এই প্রাণির ওজন ছাগল ও ভেড়ার চেয়ে অধিক হয় এবং রোগ বালাই তুলনা মূলক কম। বর্তমানে গাড়লের চাহিদা বেশী হওয়ার তা একটি লাভজনক ব্যবসাস পরিণত হয়েছে।