দীর্ঘদিনের ভ্যাপসা গরম ও ধুলাবালির দুর্ভোগের পর লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ এলাকায় সোমবার দুপুরের দিকে হঠাৎ বৃষ্টি নামায় স্বস্তি ফিরেছে জনজীবনে। প্রায় এক ঘণ্টার মাঝারি বৃষ্টিতে রাস্তাঘাটের জমে থাকা ধুলা ধুয়ে যায়, কমে আসে গরমের তীব্রতাও।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গত কয়েক মাস ধরে বৃষ্টির দেখা না থাকায় সড়কে ধুলার পরিমাণ বেড়ে যায়। বিশেষ করে ব্যস্ত বাজার ও মহাসড়কসংলগ্ন এলাকায় চলাচলকারী মানুষকে পড়তে হচ্ছিল ভোগান্তিতে। বৃষ্টির ফলে পরিবেশে কিছুটা স্বস্তি নেমে এসেছে।

চন্দ্রগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ী মো. আলাউদ্দিন বলেন, “সকালে দোকান খোলার পর ধুলার কারণে বসা কঠিন হয়ে যেত। আজকের বৃষ্টিতে অন্তত কয়েক দিনের জন্য হলেও স্বস্তি মিলবে।”

রিকশাচালক আবদুল কাদের বলেন, “রোদ আর ধুলায় সারাদিন কাজ করা কষ্টকর ছিল। বৃষ্টি হওয়ায় এখন বাতাস ঠান্ডা লাগছে, কাজ করতেও ভালো লাগছে।”

আবহাওয়া পর্যবেক্ষকদের মতে, মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে এ ধরনের বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে। এতে তাপমাত্রা কিছুটা কমে এলেও আর্দ্রতা বাড়তে পারে। তবে সাময়িক এই বৃষ্টি কৃষকদের জন্যও ভালো হতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

বৃষ্টির পর শহরের আশপাশের বিভিন্ন সড়কে পানি জমে থাকতে দেখা গেলেও বড় ধরনের যানজট বা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। বিকেলের দিকে আকাশ মেঘলা থাকলেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

হঠাৎ এই বৃষ্টি এলাকাবাসীর ক্লান্তিতে এনে দিয়েছে স্বস্তির পরশ—এমনটাই বলছেন অনেকেই।