ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রোল ও অকটেনের দাম অপরিবর্তিত থাকছে। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ থেকে দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। ফেব্রুয়ারি মাসে ডিজেল ১০২ টাকা থেকে কমিয়ে ১০০ টাকা, কেরোসিন ১১৪ টাকা থেকে কমিয়ে ১১২ টাকা, পেট্রোল ১১৮ টাকা থেকে কমিয়ে ১১৬ টাকা এবং অকটেন ১২২ টাকা থেকে কমিয়ে ১২০ টাকা করা হয়।

বাংলাদেশ জ্বালানি তেলের দামে ভর্তুকি প্রদান থেকে বের হয়ে আসার সিদ্ধান্তের আলোকে ‘জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ নির্দেশিকা’ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয় মার্চে আন্তর্জাতিক বাজারের উপর ছেড়ে দেওয়া হয় জ্বালানি তেলের দাম। বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য হ্রাস/বৃদ্ধির সাথে সামঞ্জস্য রেখে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে দেশে ভোক্তা পর্যায়ে সমন্বয় করার হচ্ছে।

বিশ্ববাজারে ডিজেলের দাম বেশি হলেও বাংলাদেশে অকটেন ও পেট্রোল ব্যক্তিগত যানবাহনে অধিক পরিমাণে ব্যবহৃত হয় বিধায় এর মূল্য বিলাস দ্রব্য (লাক্সারি আইটেম) হিসেবে সব সময় ডিজেলের চেয়ে বেশি রাখা হয়। ফর্মুলা অনুযায়ী অকটেন এর মূল্য নির্ধারণকালে ডিজেল এর সাথে পার্থক্য লিটার প্রতি ন্যূনতম ১০ টাকা যেন থাকে সে জন্য প্রাইসিং ফর্মুলায় ‘α’ ফ্যাক্টর প্রযোজ্য হবে। ২০২২ সালের ৫ আগস্ট জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির রেকর্ড করে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) জারি করা আদেশে ডিজেল ও কেরোসিন লিটার প্রতি ৩৪ টাকা এবং পেট্রল ও অকটেনে ৪৬ টাকা দাম বাড়ানো হয়েছিল। তখন ডিজেল ও কেরোসিনের দাম ১১৪ টাকা লিটার, পেট্রোল ১৩৫টাকা এবং অকটেন ১৩৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়। ওই দাম বৃদ্ধির পর গণপরিবহনের ভাড়া বেড়েছিল সর্বোচ্চ ২২ শতাংশ। তার আগে ২০২১ সালের নভেম্বর প্রতি লিটার ডিজেল ও কেরোসিনের মূল্য ৬৫টাকা থেকে বাড়িয়ে ৮০ টাকায় করা হয়। ওই সময়েও পরিবহন ভাড়া বাড়ানো হয় প্রায় ২৭ শতাংশ।