বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, সাংবাদিকরা হচ্ছে রাষ্ট্রের স্তম্ভ এবং সভ্যতার মাপকাটি। রাজনীতিক এবং সাংবাদিকরা যৌথভাবে রাষ্ট্রকে সচল রাখতে পারে। বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা দেশকে এগিয়ে নিতে পারে আবার অপসাংবাদিকতা দেশকে গভীর সংকটে ফেলতে পারে। তিনি আরও বলেন, পতিত স্বৈরাচার সরকারের সময়ে জাতি দেখেছে জুলাই অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ছাত্র-জনতা দেশকে ফ্যাসিস্টদের হাত থেকে রক্ষা করেছে। কিন্তু ফ্যাসিস্টদের ষড়যন্ত্র থেমে নেই। বর্তমানে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে অস্থিতিশীল করার জন্য পার্শ্ববর্তী দেশ এবং স্বৈরাচারের দোসররা অপচেষ্টা করে যাচ্ছে। বর্তমান সরকারের সাড়ে ৭ মাসে জুডিশিয়াল ক্যু, আনসার কা-, সচিবালয়ে আগুন, সংখ্যালঘু ইস্যুসহ বিভিন্ন আন্দোলনের নামে সরকারকে বে-কায়দায় ফেলানোর চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। এ অবস্থায় দেশ ও দেশের স্বার্থ রক্ষার্থে সাংবাদিকদের এগিয়ে আসতে হবে। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার সাংবাদিকদের উপর জুলুম নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরে বলেন, তারা সাংবাদিকদের সত্য কথা লিখতে দেয়নি। হামলা মামলা দিয়ে কণ্ঠরোধ করেছিল। বৃহস্পতিবার (২০ মার্চ) বিকেলে ডুমুরিয়া উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে নিজস্ব কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সম্মানে ইফতার মাহফিল ও মতবিনিময়কালে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ সব কথা বলেন।
ডুমুরিয়া উপজেলা আমীর মাওলানা মুখতার হুসাইনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা জেলা সেক্রেটারি মুন্সী মিজানুর রহমান। অন্যান্যের মধ্যে উপজেলা নায়েবে আমীর মাওলানা হাবিবুর রহমান ও গাজী সাইফুল্লাহ, সাংবাদিকদের মধ্যে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন দৈনিক ইত্তেফাকের প্রতিনিধি জি এম আব্দুস সালাম, দৈনিক নয়াদিগন্তের আনোয়ার হোসেন আকুঞ্জী, দৈনিক সময়ের খবরের মাহবুবুর রহমান, দৈনিক দিনকালের এম রুহুল আমীন, দৈনিক যায়যায়দিনের এস এম জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ বক্তৃতা করেন।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে আরও বলেন, তাকওয়ার জন্য আসা রমজানের রোজা রাখার মধ্য দিয়ে আমাদের আরও বেশী আত্মসংযমী হতে হবে। গোনাহ মাপের এই মাসে আমাদের বেশী বেশী ক্ষমা চাওয়া ও সর্বদা তাকওয়া অর্জনের চেষ্টা করতে হবে। দিনে সিয়াম পালন ও রাতে কিয়ামের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভ করতে হবে।