খুলনা-৩ আসনের দিঘলিয়া উপজেলার যোগীপোল ইউনিয়নের গ্রামগুলো সেদিন শুধু জনসংলাপের সাক্ষী ছিল না সাক্ষী ছিল মানুষের চাপা কষ্ট, দীর্ঘদিনের বঞ্চনা আর পরিবর্তনের আকুতির। ঘরে ঘরে, উঠোনে উঠোনে, মানুষের চোখের দিকে তাকিয়ে কথা শুনেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য, খুলনা মহানগরী আমীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান। এখানে বক্তৃতা কম ছিল, মানুষের কথা বেশি ছিল। পাটকল শ্রমিক বলেছে তার মজুরি আর নিরাপত্তার কথা, যুবক বলেছে কাজ না পাওয়ার যন্ত্রণা, বৃদ্ধ বলেছে শেষ বয়সে অবহেলার গল্প, আর মা-বোনেরা বলেছে নিরাপত্তা ও চিকিৎসার অনিশ্চয়তার কথা। প্রতিটি কণ্ঠেই ছিল একটাই প্রশ্ন “আমাদের কথা কে শুনবে?”

এ সময় শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের খুলনা মহানগরী সভাপতি আজিজুল ইসলাম ফারাজী, দৌলতপুর থানা আমীর মোশাররফ আনসারী, সহকারী সেক্রেটারি ইসমাইল হোসেন পারভেজ, ইউনিয়ন সেক্রেটারি এম. রহমান, ইউনিয়ন ছাত্রশিবির সভাপতি মেহেদী হাসানসহ শ্রমিক, কৃষক, যুবক, ছাত্র, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান মানুষের কথা শুধু শোনেননি তিনি বোঝার চেষ্টা করেছেন। পাটকল শ্রমিকদের পাশে বসে তাদের জীবনের বাস্তবতা শুনেছেন, যুবকদের চোখে চোখ রেখে বলেছেন কর্মসংস্থানের কথা, বৃদ্ধদের হাতে হাত রেখে আশ্বাস দিয়েছেন সম্মানের জীবনের। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “খুলনা-৩ আসনে আর চাঁদাবাজ, দখলদার আর লুটেরাদের হাতে জিম্মি থাকবে না। এই আসন মানুষের কাছে ফিরিয়ে দিতে হবে।” তিনি শিশু, নারী ও মায়েদের জন্য উন্নত চিকিৎসাসেবা, নিরাপত্তা এবং নারীদের উপযুক্ত কর্মসংস্থানের বাস্তব পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। এলাকার শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে স্বচ্ছ ও দুর্নীতিমুক্ত নেতৃত্বের অঙ্গীকার করেন।