মাদারীপুর সদর উপজেলায় চলতি মৌসুমে আমন চাল সংগ্রহ কার্যক্রম লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। সরকারের চাল সংগ্রহের নীতিমালা অনুযায়ী উপজেলার দুইটি খাদ্য গুদামে এসব আমন চাল সংগ্রহ শেষে গুদামজাত করণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। মাদারীপুর সদর উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে জানা গেছে, গত নভেম্বর মাসে মাদারীপুর সদর উপজেলার ইটেরপুল খাদ্য গুদাম ও চরমুগরিয়া খাদ্য গুদামে ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরের ৬৬৫ মেট্রিক টন আমন চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে সরকার। যার মধ্যে ইটেরপুল খাদ্য গুদামে ৩৬৫ মেট্রিক টন ও চরমুগরিয়া খাদ্য গুদামে ৩০০ মেট্রিক টন আমন চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ছিল। যা চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যই অর্জন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। এসব চাল সরকারের নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পরে খাদ্য গুদাম দুইটি আরো অতিরিক্ত ৩৬২ মেট্রিক টন আমন চাল সংগ্রহ করেন। যার মধ্যে ইটেরপুল খাদ্য গুদাম ১৯৬ মেট্রিক টন ও চরমুগরিয়া খাদ্য গুদাম ১৬৬ মেট্রিক টন অতিরিক্ত চাল সংগ্রহ করেন। খাদ্য গুদামের সংগ্রহ করা এসব আমন চাল মাদারীপুরের পুলিশের রেশন, ভিডব্লিউবি, আনসার সদস্যদের রেশন, কাবিখা, জিআর, ওএমএস, খাদ্য বান্ধব কর্মসূচী, টিসিবিসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প ও সেবামূলক খাতে খরচের জন্য সরকার বরাদ্দ করা হবে। সরকারের চাল সংগ্রহের নীতিমালা অনুযায়ী উপজেলার দুইটি খাদ্য গুদামে এসব আমন ধান ১৪% আর্দ্রতার নিচে বিসমিল্লাহ এগ্রো ফুট লিমিটেড ও খান ট্রেডার্সের কাছ থেকে সংগ্রহ শেষে গুদামজাত করণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
এই বিষয়ে বিসমিল্লাহ এগ্রো এন্ড অটো রাইস মিলের মালিক বিপ্লব দর্জি বলেন, ‘মাদারীপুর সদর উপজেলার দুটি খাদ্য গুদামে চলতি আমন মৌসুমে আমি সরকারের বেঁধে দেওয়া নিয়ম অনুযায়ী অত্যন্ত উন্নত মানের সিদ্ধ আমন চাল ৫০ টাকা কেজি দরে সরবরাহ করেছি। এবং চলতি মৌসুমে আমার কাছ থেকে যে পরিমান আমন চাল খাদ্য অফিস চাহিদা দিয়েছিল, আমি তাদের সেই চাহিদা মোতাবেক চাল সরবরাহ করেছি।