জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য, সিলেট জেলা আমীর ও সিলেট-১ (মহানগর ও সদর) আসনে জামায়াত মনোনীত এমপি প্রার্থী মাওলানা হাবিবুর রহমান বলেছেন, সিলেটের জনগণ বরাবরই স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত। সরকারি হাসপাতালে মানুষ চিকিৎসার জন্য গেলে সেবার পরিবর্তে হয়রানির শিকার হয়। সেখানে গেলে প্রয়োজনীয় ডাক্তার, ওষুধপত্র, বেড পাওয়া যায় না। আপনারা যদি দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিয়ে আমাকে নির্বাচিত করেন, তাহলে ইনশাআল্লাহ এ আসনের স্বাস্থ্যখাতে আমুল পরিবর্তনের চেষ্টা করবো। মানুষজন আর হয়রানির শিকার হবেন না।

তিনি মঙ্গলবার রাতে সিলেট সদর উপজেলার ১নং জালালাবাদ ইউনিয়নে দাঁড়িপাল্লার সমর্থনে আয়োজিত সেন্টার কমিটি গঠন ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, সিলেট এমএজি ওসমানী হাসপাতালের শয্যা সংখ্যা রোগীর চাহিদা অনুযায়ী ২৫০০- তে উন্নীত করে এবং ব্যবস্থাপনা উন্নত করে সেবা নিশ্চিত করবো। শহীদ শামসুদ্দিন হাসপাতালে নতুন বিল্ডিং করে এবং ব্যবস্থাপনা উন্নত করে সেবা নিশ্চিত করার চেষ্টা করবো। এছাড়াও সিলেটের বিশেষায়িত হাসপাতাল তথা হার্ট ফাউন্ডেশন ও কিডনি ফাউন্ডেশনকে আরো বেশি পরিমাণ সরকারি নীতি ও আর্থিক সহযোগিতা দিয়ে রোগীদের জন্য বিশেষায়িত স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ।

সমাজসেবী মাওলানা ইসকন্দর আলীর সভাপতিত্বে ও ফখরুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন- সিলেট মহানগর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা ইসলাম উদ্দীন, সিলেট মহানগর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি এডভোকেট জামিল আহমেদ রাজু, সদর উপজেলা জামায়াতের আমীর নাজির উদ্দিন, নায়েবে আমীর আব্দুল লতিফ লালা ও সেক্রেটারি মাওলানা আল ইমরান।

এলাকাবাসীর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- মাওলানা আলতাফুর রহমান, মাওলানা গওহর আহমদ, ইমরান আহমদ, মো. সমর আলী, মাওলানা ফারুক আহমদ, মো. গোলাম রাব্বানী ও মইনুল ইসলাম প্রমূখ। এদিন রাতে তিনি ৩নং খাদিমনগর ইউনিয়নের পীরেরগাঁও গ্রামে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন। এসময় বিপুল সংখ্যক স্থানীয় জনতা অংশ নেন।

ডিএমপির ডিবির সাবেক

প্রধান হারুনের আয়কর নথি জব্দের আদেশ

স্টাফ রিপোর্টার : ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির অভিযোগ থাকায় ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) সাবেক প্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদের আয়কর নথি জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল বুধবার ঢাকার মহানগর সিনিয়র বিশেষ জজ মো. সাব্বির ফয়েজের আদালত এই আদেশ দেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন জানান, দুদকের পক্ষে সংস্থাটির উপপরিচালক ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. মুহাম্মদ জয়নাল আবেদীন আয়কর নথি জব্দ চেয়ে আবেদনটি করেন। আদালত আবেদনটি মঞ্জুর করেন। আবেদনে বলা হয়, ক্ষমতার অপব্যবহার করে হারুন অর রশীদ ১৭ কোটি ৫১ লাখ ১৭ হাজার ৮০৬ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করছেন বলে অভিযোগ আছে। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাঁর আয়কর রিটার্নসহ সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্র জব্দ করে পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।