সিরাজগঞ্জ সংবাদদাতা: ইজারা বহির্ভূত স্থানের বাইরে বাঁধ তীরবর্তী স্থান থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন থামছে না।

ইজারা বহির্ভূত স্থানের বাইরে বাঁধ তীরবর্তী স্থান থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করার ফলে কাজিপুর উপজেলার তীরবর্তী বাঁধ ঝুঁকিপুর্ন হওয়ার ৩০ দিনের ব্যবধানে দুটি ভ্রাম্যমান আদালতে ৬ লাখ জরিমানা ও মুচলেকা দেওয়ার ফলে বালু উত্তোলন এখনো অব্যাহত আছে।

জানা যায়, শুক্রবার (২ জানুয়ারি ২০২৬) মেঘাই ঘাটের উত্তর পাশে নদী রক্ষা বাঁধ সংলগ্ন স্থান থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিষয়টি জানতে পেরে সহকারি কমিশনার (ভুমি) ও ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট নাঈমা জাহান সুমাইয়ার নেতৃত্বে যমুনা নদীর মেঘাই ঘাট এলাকায় অভিযান চালানো হয়।

অভিযানে বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত ৫ জনকে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক ৫ জনকে ১ লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে প্রত্যেককে ১ মাস করে বিনাশ্রম কারাদ-াদেশ দেন। পো

অভিযানের সময় নৌ পুলিশের অফিসার ইন চার্জ, নৌ-পুলিশ, কাজিপুর, কাজিপুর থানা পুলিশের টিম এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের কার্য সহকারী মাহবুব উপস্থিত ছিলেন। অর্থদ- তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করায় এবং ভবিষ্যতে আর অপরাধ না করার মুচলেকা প্রদান করার আসামীদেরকে ছেড়ে দেওয়া হয়। সকল আসামীরা কাজিপুরে উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মুঞ্জুর রশিদ রানা ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান আতিক এর নেতৃত্বে বালু উত্তোলন হচ্ছে বলে ভ্রাম্যমান আদালতের নিকট জবানবন্দি দেন।

অপরদিকে গত (৩০ নভেম্বর ২০২৫) কাজিপুর উপজেলা প্রশাসন মাইজবাড়ি ঢাকুরিয়া ইকোপার্ক এলাকা এবং সাবেক মেম্বার আব্দুস সামাদের বাড়ির পাশের নদী সংলগ্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ এর ১৫ ধারায় দুই অভিযুক্তকে জরিমানা করা হয়।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যমুনা নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলনের ফলে নদীর গতি পরিবর্তন, ভাঙন বৃদ্ধি ও জনদুর্ভোগ তীব্র আকার ধারণ করে। ভবিষ্যতে এমন কর্মকা-ের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেয়া হয়েছে।