আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১১ দলীয় জোটের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ বলেছেন, মহেশখালী উপজেলার ধলঘাট, মাতার বাড়ির নামেই বাংলাদেশ নতুন করে পরিচিতি লাভ করবে। কারণ বাংলাদেশের একমাত্র গভীর সমুদ্র বন্দর মাতার বাড়িতেই নির্মিত হচ্ছে। আর ধলঘাটা হবে সংযোগ স্থল।

তিনি বলেন, ২৪ হাজার কোটি টাকার এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে মহেশখালী, কক্সবাজারসহ দেশের অর্থনীতি পাল্টে যাবে। প্রায় ২৫ লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। জায়গা জমির দাম বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে। যোগাযোগ ব্যবস্থার আমুল পরিবর্তন হবে। ডক্টর আযাদ জানান, জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি ( জাইকা) র সাথে গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। অবকাঠামোগত উন্নয়নের কাজ চলমান থাকলে আগামী ২০২৯ সালের মধ্যে পুর্নাঙ্গ ভাবে বন্দরে পৃথিবীর বড় জাহাজ গুলো নোঙর করবে।

গতকাল মঙ্গলবার মহেশখালী উপজেলার কলঘাট ইউনিয়নে বিভিন্ন গ্রাম মহাল্লা ও ওঠান বৈঠক ও সাধারণ জনগণের সাথে গণসংযোগ কালে ড. হামিদুর রহমান আযাদ উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।

তিনি আরো বলেন, মহেশখালীর মাতার বাড়িকে কেন্দ্র করে ব্যবসা - বাণিজ্যের দার উন্মোচন হবে। এর মধ্যে ধলঘাটা হবে উন্নয়নের আঞ্চলিক হাব। তিনি বলেন, বাংলাদেশের একমাত্র গভীর সমুদ্র বন্দর মাতার বাড়িতে ১৫ মিটার গভীরতায় ৮ হাজার কন্টেইনার ধারণ ক্ষমতার বড় জাহাজ গুলো নোঙর করবে। ফলে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে নতুন দিগন্তের সূচনা হবে। তিনি বলেন দেশি বিদেশি বিনিয়োগের হাজার হাজার কোটি টাক যথাযথ ব্যবহার করার জন্য সৎযোগ্য, আদর্শ ব্যক্তিদের নির্বাচিত করতে না পারলে বিগত ফ্যাসিস্টের মতো দুর্নীতির আঁকড়ায় পরিনত হবে।

ড. হামিদুর রহমান আযাদ জুলাই সনদের আলোকে রাষ্ট্র সংস্কারে গণভোটে হ্যাঁ এর পক্ষে জনসচেতনতা বাড়ানোর জন্য সরকারি, বেসরকারি ও শায়িত্বশাসন প্রতিষ্ঠানের জোরালো ভুমিকা পালন করার আহবান জানান।

এসময় উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক আবু তাহের চৌধুরী, মহেশখালী উপজেলা উত্তরের আমীর মাষ্টার নজরুল ইসলাম, সেক্রেটারি মাষ্টার বশির আহমদ, ধলঘাটা ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি নুরুল ইসলাম, মাতারবাড়ির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আলা উদ্দিন, এডভোকেট রফিকুল ইসলাম, শ্রমিক নেতা আনছারুল করিম, রাইহান উদ্দিন খোন্দাকারসহ তৃনমুল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।