তা’মীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসা ঢাকায় গতকাল বুধবার অনুষ্ঠিত হলো মেধাবী সম্মাননা-২০২৬। মাদ্রাসা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মাদ্রাসার অধ্যক্ষ(ভারপ্রাপ্ত)ড. মুহাম্মদ খলিলুর রহমান মাদানী। মাদ্রাসার সংস্কৃতি বিভাগের আহ্বায়ক মুফতি মাওলানা শরীফুল ইসলাম সুলতানির সঞ্চালনায় এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো: হাবিবুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন যথাক্রমে বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের মাননীয় চেয়ারম্যান প্রফেসর মিয়া মো: নুরুল হক এবং মাদ্রাসার গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ প্রফেসর মো: নুরুন্নবী মানিক। উপস্থিত ছিলেন মাদ্রাসার মুফাসসির আবুল কাশেম গাজী মুফাসসির জাকির হোসাইন শেখ মুহাদ্দিস আব্দুল গফফার মুফতি মহিউদ্দিন,প্রফেসর মিজানুর রশিদ, সাংস্কৃতিক কমিটির সহকারী পরিচালক সাংস্কৃতিক কমিটির সহকারী পরিচালক মাওলানা আব্দুল জব্বার সহ-শিক্ষক-শিক্ষিকা বৃন্দ।
প্রধান অতিথি মো: হাবিবুর রহমান তার বক্তব্যে এ প্রজন্মকে জ্ঞান ও বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চার মাধ্যমে উন্নততর সমাজ গঠনে উদ্বুদ্ধ করেন। আগামীর পৃথিবীর স্বপ্ন বিনির্মানে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের ভূমিকা রাখতে নিজেদের আধুনিকতম জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনের জন্য উদাত্ত আহবান জানান ।
মাদ্রাসা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর নুরুল হক বলেন, চুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে যে নতুন বাংলাদেশ আমরা পেয়েছি সে বাংলাদেশকে দুর্নীতিমুক্ত করতে সকলের ঐক্যবদ্ধ প্রয়াস একান্ত জরুরী। শিক্ষার সকল স্তরে ছাত্র-ছাত্রীদেরকে দায়িত্ববান ও আন্তরিক হতে হবে। প্রফেসর নূর নবী মানিক বলেন, কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীদেরকে আদর্শিক ও নৈতিক মানে উন্নীত হতে হবে। আপনাদের প্রত্যেককে নিজের অবস্থান চিহ্নিত করে সে অনুযায়ী কর্ম পন্থা নির্ধারণ করা একান্ত জরুরি। আদর্শ জলাঞ্জলি দিয়ে কোন শিক্ষাই সফল হয় না। আদর্শবান ছাত্র-ছাত্রীরা সমাজের সম্পদ।
সভাপতির বক্তব্যে ড.খলিলুর রহমান মাদানী বলেন: জুলাইযোদ্ধারা সত্য,ন্যায়, ইনসাফ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এবং মেধার মূল্যায়নের জন্য যেভাবে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছেন, আমাদেরকেও সেভাবে নৈতিকতা সম্পন্ন বলিষ্ঠ অত্যন্ত নিয়ে ময়দানে অটুট থাকতে হবে। তোমাদের এ বিপ্লবী প্রজন্ম ওহী নির্ভর জ্ঞান ও বিজ্ঞানের সঠিক চর্চার মাধ্যমে আদর্শিক ও মানবিক সমাজ বিনির্মাণের অপেক্ষায় আগামীর বাংলাদেশ। অনুষ্ঠানে বার্ষিক পরীক্ষার কৃতি শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি মেডিক্যাল, ইঞ্জিনিয়ারিং, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে সূযোগপ্রাপ্ত ও বিদেশে স্কলারশিপ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত করা হয়।