দেশের বিশিষ্ট শিল্পোদ্যোক্তা, ১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠিত মিল্লাত গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ-এর প্রতিষ্ঠাতা, জননন্দিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া আবদুল্লাহ ওয়াজেদ ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, গত মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১:১৫ ঘটিকায় ঢাকার Combined Military Hospital Dhaka (CMH), ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বার্ধক্যজনিত কারণে ইন্তিকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।
মরহুম তাঁর সহধর্মিণী, ২ পুত্র, ৬ কন্যাসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, গুণগ্রাহী, সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন। তাঁর ইন্তিকালে দেশ একজন দূরদর্শী শিল্পনেতা, নিবেদিতপ্রাণ রাজনীতিবিদ ও শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিত্বকে হারাল।
মরহুমের প্রথম জানাযা বুধবার, ২৫-০২-২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বাদ জুহর দুপুর ১:৩০ ঘটিকায় জাতীয় সংসদ ভবন দক্ষিণ প্লাজা-এ অনুষ্ঠিত হয়। দ্বিতীয় জানাযা তাঁর নিজ গ্রাম ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কুটি-তে বৃহস্পতিবার, ২৬-০২-২০২৬ খ্রিস্টাব্দ তারিখে অনুষ্ঠিত হবে।
তিনি ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে অনুষ্ঠিত ৫ম ও ৬ষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর মনোনীত প্রার্থী হিসেবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়ে জাতীয় সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি এলাকার অবকাঠামোগত উন্নয়ন, শিক্ষা বিস্তার এবং শিল্প-বাণিজ্যের প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
তিনি বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (CIP) হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি লাভ করেন। পাশাপাশি ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (FBCCI)-এর সদস্য এবং ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (DCCI)--এর পরিচালক হিসেবে সততা, দক্ষতা ও সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। শিক্ষার মান সংরক্ষণ ও নকল প্রতিরোধ আন্দোলনের আহ্বায়ক হিসেবে তিনি দেশ-বিদেশে ব্যাপক প্রশংসা ও সম্মাননা অর্জন করেন।