শাহজাহান (তাড়াশ) সিরাজগঞ্জঃ সিরাজগঞ্জে জামায়াতের এমপি প্রার্থীর উপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় সারা দেশে নিন্দা ও সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান মূলক শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমালোচনার ঝড় বইছে। সিরাজগঞ্জের তাড়াশ, রায়গঞ্জ সলঙ্গা উল্লাপাড়া, কামার খন্দ বেলকুচি চৌহালী সিরাজগঞ্জ সদর এনায়েতপুরসহ পুরো এলাকা জুড়ে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। সিরাজগঞ্জ ৩ আসনের জামায়াত মনোনীত এমপি প্রার্থী কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের অন্যতম সদস্য শায়খ ড. প্রফেসর মাওলানা মোহাম্মাদ আব্দুস সামাদ এ ঘটনার তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে সন্ত্রাসীদের বরবরাচিত হামলায় আসামীদের গ্রেফতারের আহ্বান জানান তা না হলে পরিস্থিতি ভয়াবহ রুপ নিলে এ দায় প্রশাসনকেই বহন করতে হবে। জানা যায়, ইসলামী জলসা থেকে বাড়ি ফেরার পথে সিরাজগঞ্জ-১ (কাজীপুর ও সদর আংশিক) আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত এমপি প্রার্থী ও জেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা শাহীনুর আলমের ওপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা সংঘটিত হয়। হামলায় ১৫ জন আহত হয়েছে। ৫জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদেরকে সিরাজগঞ্জ মেডিকেল হাসপাতালে ভর্তি বরা হয়েছে। হামলার প্রতিবাদে মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় জেলা জামায়াতের নেতাকর্মীরা সিরাজগঞ্জ শহরে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি শহরের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ শেষে জেলা জামায়াত কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ হয়। এ সময় তারা দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান।

গত সোমবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে কাজীপুর উপজেলার সোনামুখী বাজার এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোনামুখী বাজার এলাকায় একটি ইসলামী জলসায় অংশ নেন মাওলানা শাহীনুর আলম ও তার সমর্থকরা। জলসা শেষে রাত সাড়ে ১১টার দিকে বাড়ি ফেরার পথে সোনামুখী বাজার এলাকায় পৌঁছালে তার গাড়িবহরে বিএনপির লোকজন লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালায় বলে অভিযোগ করা হয়। হামলাকারীদের হাত থেকে প্রার্থীকে বাঁচাতে গিয়ে জামায়াতের অন্তত ১৫/১৬ জন নেতাকর্মী আহত হন। আহতদের মধ্যে সোনামুখী ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি নজরুল ইসলাম, কর্মী ওমর ফারুক ও আব্দুল আওয়ালকে সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, বিএনপির মনোনীত এমপি প্রার্থী সেলিম রেজার নেতৃত্বে তিন দফায় হামলা হয়। আমাদের তিনজন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন। এ ব্যাপারে মামলা হয়েছে।