গাইবান্ধা থেকে জোবায়ের আলী : গাইবান্ধার সাত উপজেলাসহ পৌর শহরের মার্কেটগুলো জমে উঠেছে ঈদ কেনাকাটা। বিশেষ করে শহরের ফুটপাতগুলোতে সাধারণের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। ঈদ যতই এগিয়ে আসছে ক্রেতাদের পদচারণায় মুখরিত যেন মার্কেটগুলো। প্রিয়জনের মুখে হাসি ফোটাতে পছন্দের পোশাকের খোঁজে ক্রেতারা এক মার্কেট থেকে অন্য মার্কেটে ছুটছেন। এখানে দুই শ্রেণির ক্রেতা লক্ষ্য করা গেছে। মধ্যবিত্ত উ”চবিত্তরা, সালিমার সুপার মার্কেট, তরফদার ম্যানশন, তাজ শপিং কমপ্লেক্স হাতে গোনা এই মার্কেটে কেনাকাটায় ব্যস্ত। অন্যদিকে নিম্ন মধ্যবিত্তের পৌর মার্কেট ও ফুটপাতে অগণিত ক্রেতা দোকানে কেনাকাটায় মগ্ন।অনেক পরিবার রয়েছে তারা আবার নিজ জেলার বাইরে ঈদ কেনাকাটা করে। নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো গাইবান্ধার মার্কেটে সরব দেখা যায়। শহরে প্রবেশ করলেই বোঝা যায় ঈদ মার্কেট। বর্ণিত সাজে যেন পুরো শহরেই সাজানো হয়েছে। দেশি বিদেশি পোশাকের মিশ্রণে কমপ্লেক্সগুলো রমরমা ব্বোসা চালিয়ে যাচ্ছে। ঈদ যতই কাছে আসবে দোকানগুলো কেনাবেচায় সরগরম হয়ে উঠবে এমন প্রত্যাশা সবার।সরেজমিনে দেখা যায়, গাইবান্ধা পৌর শহরের সালিমার সুপার মার্কেট, তরফদার ম্যানশন, চৌধুরী মার্কেট, তাজ কমপ্লেক্স, আব্বাস উদ্দীন টাওয়ারসহ সব জায়গায় ক্রেতার উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। প্রতিটি মার্কেট সকাল থেকে কেনা-বেচা শুরু হয় চলে রাত পর্যন্ত। কাপড়ের দোকানে শোভা পাচ্ছে জামদানি শাড়ী, থ্রি পিস, স্কার্ট, কাতান, সিল্ক জর্জেট, ছেলেদের পাঞ্জাবি, ফতুয়া, টিশার্ট, প্যান্ট এবং ছোটদের জন্য বাহারি ডিজাইনের পোশাক। সেইসাথে প্রসাধনীর দোকানগুলোতে নারী ক্রেতাদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।পৌর শহরের ফ্যাশন কর্নারের কর্মচারী বাবু মিয়া বলেন, এবার ঈদে দেশীয় পোশাকের পাশাপাশি ভারত ও পাকিস্তানের উন্নতমানের থ্রি পিস আমদানি করা হয়েছে। প্রত্যেকটি থ্রি পিসের মূল্য ৫ থেকে ৮ হাজার টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। নজর কাড়া এই থ্রি পিচগুলো ক্রেতাদের মন কাড়ছে। তিনি আরও বলেন, ঈদ যতই কাছে আসছে বেচাকেনা ততই বাড়ছে।্হনংঢ়;চৌধুরী মার্কেটের ব্যবসায়ী আলতাফ হোসেন মামুন বলেন, দিন দিন বেচাকেনা বৃদ্ধি পাওয়ায় তিনি খুশি। তরফদার ম্যানশনের ফিরোজ কবীর বলেন, ঈদ উল ফিতরের মার্কেট এত জমজমাট হবে ভাবিনি। আমি শাড়ী, লুঙ্গি, থ্রি পিস যথেষ্ট পরিমাণ বিক্রি করছি। আমার টার্গেট পূর্ণ হবে ইনশাল্লাহ। তবে এখন পর্যন্ত কাট পিস কাপড়ের দোকানে ক্রেতার ভিড় বেশি। পৌর মার্কেটের জাস্ট টেইলার্সের স্বত্ত্বাধিকারী মামুন বলেন, এখন আমরা শার্ট প্যান্ট তৈরির অর্ডার নিচ্ছি না। কেননা অর্ডার নিলে ডেলিভারি দেওয়া সম্ভব হবে না। সালিমার সুপার মার্কেটে আসা ফারহানা আকতার নামে এক ক্রেতা জানান, আমি শ্বশুর ও বাবার বাড়ির স্বজনদের জন্য কিছু ক্রয় করতে পেরে খুশি। তবে মূল্য একটু বেশি মনে হচ্ছে।”
গ্রাম-গঞ্জ-শহর
গাইবান্ধায় জমে উঠেছে ঈদের বাজার
গাইবান্ধার সাত উপজেলাসহ পৌর শহরের মার্কেটগুলো জমে উঠেছে ঈদ কেনাকাটা। বিশেষ করে শহরের ফুটপাতগুলোতে সাধারণের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। ঈদ যতই এগিয়ে আসছে ক্রেতাদের পদচারণায় মুখরিত যেন মার্কেটগুলো।
Printed Edition