রাজধানীর বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজ ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় সেই ভবনের বিভিন্ন রেস্টুরেন্টের মালিকসহ ২২ আসামীর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র আমলে গ্রহণ করেছেন আদালত। একই সঙ্গে পলাতক ১৩ আসামীকে গ্রেপ্তারে পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। গতকাল রোববার শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার আদালত এই আদেশ দেন। আগামী ১৯ মে আসামীদের গ্রেপ্তার সংক্রান্ত তামিল শুনানির জন্য দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পরিদর্শক জিন্নাত আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ২২ জনের মধ্যে ৯ জন আদালতে হাজির ছিলেন। অপর ১৩ জন অনুপস্থিত থাকায় আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেন। গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হওয়া আসামীরা হলেন- আমিন মোহাম্মদ ফাউন্ডেশনের স্বত্বাধিকারী মো. রমজানুল হক নিহাদ, চায়ের চুমুক কফিশপের স্পেস মালিক ইকবাল হোসেন কাউসার, মেজবানিখানা রেস্টুরেন্টের স্বত্বাধিকারী লতিফুর নেহার, খালেদ মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ ও অঞ্জন কুমার সাহা, অ্যামব্রোশিয়া রেস্টুরেন্টের স্বত্বাধিকারী মো. মুসফিকুর রহমান, পিৎজাইন রেস্টুরেন্টের স্বত্বাধিকারী জগলুল হাসান, স্ট্রিট ওভেন রেস্টুরেন্টের স্বত্বাধিকারী আশিকুর রহমান ও হোসাইন মোহাম্মদ তারেক, ফুকো রেস্টুরেন্টের স্বত্বাধিকারী রাসেল আহম্মেদ, মো. সাদরিল আহম্মেদ শুভ, আদিব আলম, রাফি উজ-জাহেদ ও শাহ ফয়সাল নাবিদ। অন্য আসামীরা জামিনে রয়েছেন।
এর আগে আসামীদের বিরুদ্ধে দ-বিধির সাতটি ধারার অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় গত ২ এপ্রিল মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও সিআইডির পরিদর্শক শাহ জালাল মুন্সী এ অভিযোগ পত্র জমা দেন।