পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালিশুরি ইউনিয়নের সিংহেরাকাঠী গ্রামের এক ছোট্ট ঘরে একসাথে ভেসে উঠেছিল পাঁচটি নবজাতকের কান্না। আনন্দের সেই মুহূর্তের সাথে মিশে ছিল অনিশ্চয়তা আর দুশ্চিন্তার দীর্ঘশ্বাস। একসাথে তিন ছেলে ও দুই মেয়ের জন্ম যেন আশীর্বাদ, আবার একই সঙ্গে কঠিন বাস্তবতার এক বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায় দরিদ্র পিতা সোহেল হাওলাদারের পরিবারের জন্য।
গত ৬ অক্টোবর ২০২৫ সালে জন্ম নেওয়া এই পাঁচ নবজাতকের লালন-পালনের ব্যয় মেটাতে হিমশিম খাচ্ছে পরিবারটি। নিত্যদিনের খাবার, চিকিৎসা, পোশাকÑসবকিছুই যেন এক বিশাল বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে তাদের জন্য।
এমন কঠিন সময়ে শুরু থেকেই এই অসহায় পরিবারটির পাশে দাঁড়িয়েছেন বাউফলের গণমানুষের প্রিয় নেতা ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি। তিনি ব্যক্তিগতভাবে পরিবারের খোঁজখবর নিয়েছেন এবং নিয়মিত আর্থিক সহায়তা দিয়ে যাচ্ছেন, যা এই পরিবারটির জন্য এক বড় ভরসা হয়ে উঠেছে।
এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল বৃহস্পতিবার ড. মাসুদ এমপির পক্ষ থেকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বাউফল উপজেলা শাখার দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ সোহেল হাওলাদারের বাড়িতে যান। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ভারপ্রাপ্ত আমীর মাওলানা রফিকুল ইসলাম এবং সহকারী সেক্রেটারি এটিএম নজরুল ইসলাম। তারা পরিবারটির সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন এবং তাদের হাতে আর্থিক সহায়তা তুলে দেন।
মানবিক দায়বদ্ধতা ও ইসলামী মূল্যবোধ থেকেই ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি ও বাউফল উপজেলা জামায়াতে ইসলামী এই পরিবারটির পাশে থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। তাদের এই সহমর্মিতা এলাকাবাসীর মাঝেও প্রশংসিত হয়েছে।
এ বিষয়ে পাঁচ নবজাতকের পিতা সোহেল হাওলাদার বলেন, একসাথে পাঁচ সন্তান জন্ম নেওয়ার পর আমি দিশেহারা হয়ে পড়েছিলাম। কীভাবে তাদের লালন-পালন করবো বুঝতে পারছিলাম না। ড. মাসুদ এমপি ও জামায়াতের নেতৃবৃন্দ শুরু থেকে যেভাবে আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন, তা আমাদের জন্য আল্লাহর রহমত স্বরূপ।
বাউফল উপজেলা জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমীর মাওলানা রফিকুল ইসলাম বলেন, মানবতার ফেরিওয়ালা বাউফলের সংসদ সদস্য ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি মহোদয় শুরু থেকে এই পরিবারের পাশে ছিলেন। এখনো পরিবারটির পাশে আছেন। ভবিষ্যতেও থাকবেন। মানুষের কল্যাণে কাজ করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।