রংপুর মহানগরকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে এবং সৌন্দর্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে জেলা প্রশাসন, সিটি কর্পোরেশন এবং রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান অব্যাহত রয়েছে। পুলিশের সহায়তায়, নগরীর কাচারি বাজার এলাকা থেকে চেকপোস্ট পর্যন্ত সড়কের উভয় পাশের ডিভাইডার এবং অবৈধ ব্যানার, ফেস্টুন ও বিলবোর্ড অপসারণ করা হচ্ছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণায় ফেস্টুন, বিলবোর্ড এবং ব্যানারের পাশাপাশি নগরীর প্রধান সড়কগুলোতে এখনও কোচিং সেন্টার এবং বহুজাতিক কোম্পানির বিভিন্ন ধরনের লিফলেট প্রদর্শন করা হচ্ছে। এতে নগরীর সৌন্দর্য নষ্টের পাশাপাশি দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে। যৌথ অভিযানে রংপুর নগরীর সড়কের উপর থেকে অবৈধ দখল উচ্ছেদ এবং অবৈধ ব্যানার, ফেস্টুন ইত্যাদি অপসারণ অব্যাহত রয়েছে।

জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজী মোহাম্মদ শাহানের নেতৃত্বে, ইতোমধ্যে নগরীর সুরভী উদ্যান এলাকার ফুটপাত এবং সড়ক দখল উচ্ছেদ করা হয়েছে এবং ওই এলাকার বিভিন্ন গাছ এবং বৈদ্যুতিক খুঁটিতে ঝুলানো ব্যানার অপসারণ করা হয়েছে।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বলেন, ‘নগরীর ফুটপাতে অবৈধ স্থাপনা এবং ব্যানার ফেস্টুন অপসারণের কাজ চলছে। আমরা নগরবাসীকে একটি সুন্দর, যানজটমুক্ত রংপুর নগর উপহার দেব।’জেলা প্রশাসন ঘোষণা করেছে যে যানজট কমাতে এবং চলাচলের জন্য একটি সুন্দর পরিবেশ তৈরি করতে পর্যায়ক্রমে প্রতিটি এলাকার রাস্তা থেকে অবৈধ দখল অপসারণ করা হবে।

এদিকে, নগর পরিষ্কার রাখতে জলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল আহসান বলেন, মহানগর পুলিশ ও সিটি করপোরেশনের সহযোগিতায় নগরীকে পরিচ্ছন্ন রাখতে কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আমরা রংপুর নগরীকে একটি পরিচ্ছন্ন নগরী হিসেবে দেখতে চাই। অযথা ব্যানার ফেস্টুন নগরীর সৌন্দর্য একেবারে নষ্ট করেছে। এজন্য নগরবাসীর সহযোগিতা চাই।

মহানগর পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ মজিদ আলী বলেন, আইন মেনে ব্যানার ফেস্টুন সরানো হচ্ছে। যারা আইন মানবেন না তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। সিটি কর্পোরেশন থেকে অনুমতি নিয়ে ব্যানার, ফেস্টুন লাগানো হলেও সেগুলো যেন মার্জিত হয় এবং নগরীর সৌন্দর্য যাতে নষ্ট না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। আমরা সবাই মিলে নগরীকে একটি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন নগরী চাই। এজন্য আমাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।