দীর্ঘ ১৭ বছর পর এক নতুন ভোরের সাক্ষী হলো বাংলাদেশ। জেন-জেড বা ‘প্রজন্ম জেমিনি’র হাত ধরে যে পরিবর্তনের সূচনা হয়েছিল, আজ তার প্রতিফলন ঘটছে ব্যালট পেপারে। ফ্যাসিবাদের দীর্ঘ ছায়া মাড়িয়ে প্রথমবার ভোট দিতে আসা তরুণদের চোখে-মুখে এখন বিজয়ের আভা আর আগামীর দায়বদ্ধতা।
সকাল থেকেই ভোটকেন্দ্রগুলোর দীর্ঘ সারিতে চোখে পড়ছে এক অভূতপূর্ব দৃশ্য। যেখানে বয়োজ্যেষ্ঠদের পাশাপাশি কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়িয়ে আছে হাজারো তরুণ-তরুণী। এদের বিশাল একটি অংশ ‘ফার্স্ট টাইম ভোটার’। আবু সাঈদ আর মুগ্ধদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত এই স্বাধীন পরিবেশে নিজেদের প্রথম ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পেরে তারা আবেগাপ্লুত।
নাবিলা বিনতে হারুন
জাকসুর কার্যকরী সদস্য
ফ্যাসিস্ট আমলে ভোটার হলেও ভোট দেওয়ার সুযোগ হয়ে ওঠেনি। তাই এবারের অনুভূতি একেবারেই ভিন্ন। ভোটকেন্দ্রের মাঠে মানুষের দীর্ঘ সারি দেখে বারবার জুলাইয়ের শহীদ ও গাজীদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছে।
জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারের কাছে আমার প্রত্যাশাÑসরকার সুশাসন, জবাবদিহিতা এবং আইনের শাসন নিশ্চিত করতে কাজ করবে। দল-মত নির্বিশেষে সকল নাগরিকের অধিকার রক্ষা, দুর্নীতি-চাঁদাবাজি দমন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণে অগ্রাধিকার থাকবে। বিশেষভাবে দেশের কাঠামোগত পরিবর্তনের মাধ্যমে নারী শিক্ষার প্রসার এবং কর্মসংস্থানে নারীর সর্বাধিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকার কাজ করবে বলে আশা রাখি। পাশাপাশি, তরুণ প্রজন্মের স্বপ্ন ও সম্ভাবনাকে গুরুত্ব দিয়ে একটি স্থিতিশীল, ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক রাষ্ট্র গঠনে সরকার আন্তরিক ভূমিকা রাখবেÑএটাই আমার বিশ্বাস।