জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী বলেছেন, আমাদের আইনমন্ত্রী বক্তব্য রাখেন একরকম, কিন্তু তার পাশাপাশি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যটা একটা বৈপরীত্য দেখা যাচ্ছে। স্পিকার মহোদয়, আপনার কাছে আমি সবিনয়ে অনুরোধ করবোÑযেটা আইনমন্ত্রী জবাব দেবেন সেটা আইনমন্ত্রী দিলেই ভালো হয়। আমার কাছে মনে হচ্ছে আইনমন্ত্রী মহোদয়ের বক্তব্যটা আমরা সবাই একসেপ্ট করতে পারি। কিন্তু আমাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহোদয় যেই বক্তব্যটা রাখেন, এটা দুইজনের মধ্যে ভিন্নতা দেখা যাচ্ছে। তিনি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী সংশ্লিষ্ট বিষয়ের বক্তব্য দেওয়ার জন্য স্পিকারের রোলিং কামনা করেন। গতকাল সোমবার জাতীয় সংসদে পয়েন্টে দাঁড়িয়ে কি নিয়ে কথা বলেন।
শাহজাহান চৌধুরী বলেন, প্রশ্নোত্তরকালটা আমাদের বিধি ৫৮ অনুসারে প্রায় ১১ টা বিধির ওপর ভিত্তি করে প্রশ্নোত্তরকাল আপনি পরিচালনা করেন। আপনি অত্যন্ত সুন্দরভাবে প্রশ্নোত্তরকালটা আপনি চালাচ্ছেন, অত্যন্ত আমরা সবার অধিকার রক্ষা হচ্ছে। কিন্তু
আজকে মাত্র ৫৮ থেকে ৬৩, মাত্র পাঁচটা প্রশ্ন উত্থাপিত হয়েছে। আজকে আমাদের প্রায় ৭-৮ জন মেম্বার আমরা মনে করেছিলাম যে আপনি আস্তে আস্তে একটাতে যদি দুই মিনিট করেও হয়, তাহলে এক ঘণ্টার মধ্যে প্রায় ২০টা...২০টা না প্রায় ২৫টা পর্যন্ত প্রশ্নোত্তরকাল চলতে পারে। এই জন্য আপনার একটু দৃষ্টি আকর্ষণ করছিÑপ্রশ্নোত্তরকালটা আমাদের পার্লামেন্টের পার্লামেন্ট মেম্বারদের প্রশ্ন উত্থাপন এবং মন্ত্রীদের উত্তরে এই ব্যাপারে যদি আপনি একটু কন্ট্রোল করেন, তাহলে আমাদের সবার স্বার্থটা রক্ষা হয়।
তিনি বলেন, কমপক্ষে আপনার পক্ষ থেকে একটা রুলিং দিয়ে বলা হয় যেÑঅন্যান্য প্রশ্নগুলো উত্থাপিত হলো বলে গণ্য হলো। এই বিষয়াবলী যদি বলেন তাহলে আমাদের প্রশ্নগুলা প্রেসে যায়, পত্রিকায় ওঠে এবং জাতি জানতে পারে আমরা কী প্রশ্ন করলাম আর মন্ত্রী মহোদয়রা কী উত্তর দিচ্ছে। সেটা তো এখানে লিখিত আছে। এই জন্য আমি ৫৮ বিধিতে ১১ টা যে বিধি আছে, সেই অনুসারে আপনি অত্যন্ত অভিজ্ঞতার সহিত এবং অত্যন্ত সুন্দর করে প্রশ্নোত্তরকাল চালাচ্ছেন। এবং এই ব্যাপারে বিধিটা যদি আপনি সেখানে আমার মনে হয় এই বিধির যদি ফলো করেন, তাহলে আরও অনেক বেশি প্রশ্ন আমরা উত্তরকালীন উত্তরও পাবো, তারপরে আমাদের এই সব মেম্বারদের আমাদের অধিকারটাও রক্ষা হবে।
তিনি আরো বলেন, আজকে দেখতে পাচ্ছি আমাদের মাননীয় আইনমন্ত্রী বক্তব্য রাখেন একরকম, কিন্তু তার পাশাপাশি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যটা একটা বৈপরীত্য দেখা যাচ্ছে। আপনার কাছে আমি সবিনয়ে অনুরোধ করবোÑযেটা আইনমন্ত্রী জবাব দেবেন সেটা আইনমন্ত্রী দিলেই ভালো হয়।
আমার কাছে মনে হচ্ছে আইনমন্ত্রী মহোদয়ের বক্তব্যটা আমরা সবাই একসেপ্ট করতে পারি। কিন্তু আমাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহোদয় যেই বক্তব্যটা রাখেন, এটা দুইজনের মধ্যে ভিন্নতা দেখা যাচ্ছে। এই জন্য আমি আপনার একটা রুলিং দাবি করছি মন্ত্রী মহোদয়কে রেলিভেন্ট অনুসারেই আপনি পারমিশন দিলে ভালো হয়। একটু পরে বিএনপি'র সংসদ সদস্য জয়নাল আবদীন ফারুক বলেন, আমাদের মধ্যে অটুট আছে আইনমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের মধ্যে কোন বৈপরীত্য নেই।