নাটোরের বড়াইগ্রামে ঘরে ঢুকে গৃহবধূর (২৮) মুখ ও হাত বেঁধে ধর্ষণ ও অপর এক স্কুল ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির ঘটনা ঘটেছে। ধর্ষণের ঘটনায় মঙ্গলবার অভিযুক্ত পরিমল নন্দী (৩৮) কে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পরিমল নন্দী উপজেলার বড়াইগ্রাম সদর ইউনিয়নের খাকসা গ্রামের নীলমণি নন্দীর ছেলে।
থানা ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ মার্চ রাতে ওই গৃহবধূর স্বামী মোবাইল মেরামতের জন্য জোনাইল বাজারে গেলে তিনি ঘরের দরজা মিশিয়ে দিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। এ সময় পরিমল নন্দীসহ আরো দুজন অচেনা যুবক ঘরে ঢুকে ওড়না দিয়ে ওই গৃহবধূর মুখ ও দুই হাত বেঁধে ফেলে। পরে পরিমল তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।
অপরদিকে, ৩১ মার্চ সোমবার ওই স্কুলছাত্রী (১৭) বাড়িতে রান্না করছিল। এ সময় তার বাবা ঈদের নামাযে এবং মা পাশের বাড়িতে ছিলেন। এ সুযোগে লম্পট আছান আলী তাদের বাড়িতে গিয়ে কথা বলার ফাঁকে তার শ্লীলতাহানি করে। এ সময় মেয়েটির চিৎকারে তার মাসহ প্রতিবেশীরা এগিয়ে এলে আছান আলী দৌড়ে পালিয়ে যায়। আছান আলী উপজেলার জোয়াড়ী ইউনিয়নের ভবানীপুর গ্রামের মৃত আসকান আলীর ছেলে। এ ঘটনায় মঙ্গলবার রাতে থানায় মামলা হয়েছে।
বড়াইগ্রাম থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মাহবুবুর রহমান জানান, ধর্ষণের ঘটনায় ওই গৃহবধূ বাদী হয়ে মামলা করলে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অপর ঘটনায় আসামীকে আটকের চেষ্টা চলছে।