বান্দরবান জেলা সংবাদদাতা
বান্দরবান সদরস্থ মেঘলা পর্যটন সংলগ্ন এলাকায় মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণ কাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়।
বান্দরবান মুসলিম ওয়েল ফেয়ার এসোসিয়েশন সভাপতি ও বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্য মোঃ নাছির উদ্দিন এর সভাপতিত্বে উদ্বোধন অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আর.ডিসি ফয়জুর রহমান, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট,বান্দরবান জেলা প্রশাসন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক ওসমান গনি,পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির চেয়ারম্যান কাজী মজিবুর রহমান,বান্দরবান ইসলামিক ফাউন্ডেশন উপ-পরিচালক মোঃ সেলিম উদ্দিন, বান্দরবান গণপূর্ত অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী সুমিত রায়,বান্দরবান জেলা পরিষদ সদস্য মো:সাইফুল ইসলাম, বান্দরবান মুসলিম ওয়েল ফেয়ার এসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি আশরাফ উল্লাহ বাচ্চু,বান্দরবান মুসলিম ওয়েল ফেয়ার এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক লিটন, সাবেক সভাপতি আবুল কাশেম সওদাগর, বান্দরবান জেলা ট্রাক মালিক সমিতির সভাপতি শফিকুল আলম বাবুল, বিএনপির নেতা মূসা সওদাগর, মোঃ নেজাম চৌধুরী, জেলা মৎস্যজীবি দলের সভাপতি মোঃ হাসেম, বান্দরবানের বিশিষ্ট সাংবাদিক মুহাম্মদ আলী, পার্বত্য নাগরিক পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক শাহ জালাল, বান্দরবানের প্রথম শ্রেণির ঠিকাদার মোঃ মোজাফফর, মোঃ সমির সহকারী প্রকৌশলী’সহ শতাধিক মুসলিম প্রিয় তৌহিদা জনতা উপস্থিত ছিলেন।
কাজী মুজিবুর রহমান তাঁর বক্তব্যে বলেন, দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত এ প্রকল্প বাস্তবায়নে বান্দরবান ৩০০নং আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরি, সাবেক ধর্ম উপদেষ্টা আফম খালিদ, জেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সকলের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এ উদ্যোগের মাধ্যমে জেলার ধর্মীয় মূল্যবোধের বিকাশ ঘটবে এবং সামাজিক সম্প্রীতি আরও জোরদার হবে। পাশাপাশি এটি ইসলামিক শিক্ষা ও সংস্কৃতি চর্চার একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে।
এসময় বক্তারা আরো বলেন, মসজিদের মাধ্যমে বাংলাদেশে একটা অপরাধমুক্ত সমাজ তৈরি করা সম্ভব। কেননা সমাজে যখন মানুষ নিয়মিত নামাজ পড়েন তখন খারাপকাজ, গুনাহ’র কাজ , অশ্লীলতা কমে যায়। নামাজের কারনে মানুষ ইহকাল পরকালে শান্তি পায়। নামাজের কারনে মানুষ সহজে হিংস্র হতে পারেনা, অন্যের ক্ষতি করতে পারেনা।
প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে জেলা গণপূর্ত বিভাগ। চার তলা বিশিষ্ট এই মডেল মসজিদে পুরুষ মুসল্লিদের পাশাপাশি মহিলাদের নামাজের সুব্যবস্থা, ইসলামিক লাইব্রেরি, ইমাম ট্রেনিং সেন্টার, ১০তলা উঁচু মিনার, সম্মেলন কক্ষ, হিফজখানা-মক্তব, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের অফিস, লাশ গোসলের ব্যবস্থা, প্রতিবন্ধীদের জন্য নামাজের স্থান, সুবিশাল গাড়ি পার্কিং, ইসলামি বই বিক্রির শপ,অতিথিশালা, ইমাম-মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের থাকার কক্ষ, ইসলামি গবেষণা কেন্দ্রসহ থাকেবে নানা সুবিধা।