মোহাম্মদ ফয়সালঃ সিরাজদিখান (মুন্সিগঞ্জ) সংবাদদাতা: মুন্সীগঞ্জের সিরাজদীখান উপজেলার ১০টি হিমাগারে চলতি মৌসুমে এখনো ২৩ হাজার ২২৭ মেট্রিক টন আলু মজুত রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে উপজেলা কৃষি অফিস। এর মধ্যে খাওয়ার আলু ১২ হাজার ৫৫৩ টন এবং বীজ আলু ১০ হাজার ৬৭৪ টন। এ সব হিমাগারের সম্মিলিত ধারণক্ষমতা ৭৩ হাজার ১৩০ মেট্রিক টন।

হিমাগারভিত্তিক মজুতের পরিমাণ হলোÍফাইভ স্টার ৩৫০০ টনের বেশি, শবনম ১৮০০ টন, নাহার ২০০ টন, নেপচুন ১১০০ টন, হাসান ১৫৮ টন, মডেল ৯৬১ টন, সম্রাট ৫৮০০ টন, আনাম ৪৪৩০ টন, শাহাজালাল ২৭৫৭ টন এবং ফয়েজ কোল্ড স্টোরেজে ২৪৪৮ টন আলু রয়েছে। ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকে আলু রোপণ শুরু হয় এবং মাসের শেষে রোপণ শেষ হয়। গত মৌসুমে ৮ হাজার ৮৯০ হেক্টর জমিতে আলু চাষ হয়েছিল; এবারও একই পরিমাণ জমিতে রোপণের সম্ভাবনা রয়েছে। হিমাগারগুলোতে ঘুরে দেখা যায়, কৃষকরা মূলত বীজ আলু উত্তোলন করছেন। তবে খাদ্য আলুর দাম কম থাকায় বেশিরভাগ কৃষকই তা বের করছেন না। ফলে হিমাগার মালিকরাও আরও চাপের মুখে পড়েছেন। কৃষকদের অভিযোগ, কম দামে আলু বিক্রি করলে লোকসান গুনতে হবে। কেউ কেউ শত শত বস্তা আলু বের করতে ভয় পাচ্ছেন। হিমাগার কর্তৃপক্ষ বলছে, চুক্তি অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আলু নিতে বারবার জানানো হলেও কৃষকরা অনীহা দেখাচ্ছেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আবু সাঈদ শুভ্র জানান, নতুন মৌসুমের রোপণ শুরুর সঙ্গে সঙ্গে বীজ আলু বের হচ্ছে। খাদ্য আলুও বাজারে যাবে। তিনি বলেন, এ বছর কৃষকরা লোকসানে পড়লেও আগামী মৌসুমে আলুর দাম ভালো হওয়ার আশা রয়েছে।