ডিমলা (নীলফামারী) সংবাদদাতা : নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার খালিশা চাপানি ইউনিয়নের ব্যাপারীটোলা এলাকায় অবস্থিত সীমান্তবর্তী দ্বি-মুখী আলিম মাদ্রাসা দীর্ঘদিন ধরে একাডেমিক ভবন সংকটে ভুগছে। স্থায়ী ও পর্যাপ্ত শ্রেণিকক্ষ না থাকায় নিয়মিত পাঠদান কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে, যার নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে শিক্ষার্থীদের ওপর। তিস্তা নদীর প্রায় ৫ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং বাঘের পুলÑজলঢাকা হাইওয়ে সংলগ্ন সুবিধাজনক স্থানে অবস্থিত হলেও অবকাঠামোগত দুর্বলতা প্রতিষ্ঠানটির অগ্রগতির প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্তমানে এখানে প্রায় ৫ শতাধিক শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত এবং ৩৩ জন শিক্ষক-কর্মচারী পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল মান্নান বলেন, “ভবন সংকটের কারণে স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়েছে। দ্রুত একটি পূর্ণাঙ্গ একাডেমিক ভবন নির্মাণ হলে শিক্ষার পরিবেশ ও মান দুটোই উন্নত হবে।”

উপাধ্যক্ষ মাওলানা হাফিজুল ইসলাম ও সহকারী অধ্যাপক মাওলানা আফজাল হোসেন বলেন, অবকাঠামো উন্নয়ন ছাড়া আধুনিক ও মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।

শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা জানান, শ্রেণিকক্ষ সংকটের কারণে নিয়মিত ক্লাস ও পরীক্ষার প্রস্তুতিতে নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। এলাকাবাসী ও শিক্ষানুরাগী মহল মনে করছেন, সীমান্তবর্তী ও অবহেলিত এই অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ বিবেচনায় দ্রুত মাদ্রাসাটিতে একটি স্থায়ী ও আধুনিক একাডেমিক ভবন নির্মাণ এখন সময়ের জোরালো দাবি।