র্যাব-১৩ রংপুর পৃথক দুটি অভিযান পরিচালনা করে জেলার মিঠাপুকুর উপজেলোর চাঞ্চল্যকর মোকতারুল হত্যা মামলার প্রধানআসামী ও ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামীকে গ্রেফতার করেছে।
র্যাব-১৩ রংপুরের সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল হাসান স্বাক্ষরিত দুটি বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, র্যাব-১৩, সিপিএসসি রংপুর এবং র্যাব-১২, সিপিএসসি বগুড়া যৌথ অভিযানে বগুড়ার ধুনট থানা এলাকায় মিঠাপুকুর থানার চাঞ্চল্যকর মোকতারুল হত্যা মামলার প্রধান আসামী খোরশেদ আলমকে গ্রেফতার করেছে।
জানা গেছে, খোরশেদ আলম (৩৬) টাকা লেনদেনের ঝামেলার জের ধরে পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে ভিকটিম মোকতারুল ইসলাম’ কে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলায়, ঘারে, মাথায়, পিঠে, বুকে, নাভির ডান পাশে এবং কপালসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরতর আঘাতে হত্যা করে। এর প্রেক্ষিতে গত বছর ১১ সেপ্টেম্বর ভিকটিমের মাতা কল্পনা বেগম বাদী হয়ে রংপুরের মিঠাপুকুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৫ মার্চ রাত সাড়ে ১২ টার দিকে র্যাব-১৩, সিপিএসসি, রংপুর এবং র্যাব-১২, সিপিএসসি বগুড়ার একটি আভিযানিক যৌথদল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রংপুরের মিঠাপুকুর থানার নুরপুর এলাকার মৃত ওসমান গণি’র ছেলে খোরশেদ আলমকে (৩৬) বগুড়া জেলার ধুনট থানাধীন চৌকিবাড়ি ইউনিয়নের পেঁচিবাড়ি বাজার এলাকায় গ্রেফতার করে।
অপরদিকে র্যাব-১৩, দিনাজপুর জেলার খানসামা থানা এলাকার মিঠাপুকুর থানার ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামী জয় চন্দ্র বর্মনকে গ্রেফতার করেছে।
বাদীর দায়েরকৃত এজাহারে জানা গেছে, জয় চন্দ্র বর্মন (২৬) বিবাহের প্রলোভন দেখিয়ে নাবালিকা ভিকটিমের সাথে প্রেম-ভালোবাসার সর্ম্পক স্থাপন করে। এভাবে অনেকদিন ভিকটিমের পরিবারের অগোচরে আসামী তার সহিত শারীরিক মেলামেশাসহ অবৈধ কাজে লিপ্ত থাকে। পরবর্তীতে গতবছর ৬ নবেম্বর রাতে রংপুর জেলার মিঠাপুকুর থানার চিথলী মধ্য পাড়া নামক স্থানে ভিকটিমকে ডেকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে।