বাংলাদেশে ভারতীয় আগ্রাসন ও আধিপত্যবাদ রুখে দেয়ার দাবি জানিয়েছে মানবাধিকার সংস্থা ‘অধিকার’। একই সঙ্গে সীমান্তে ফেলানী হত্যাসহ সব গুম ও খুনের বিচার এবং ভারতে পালিয়ে থাকা ক্ষমতাচ্যুত সরকারের নেতাকর্মীদের দেশে ফিরিয়ে এনে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে সংস্থাটি। গতকাল বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধনে এসব দাবি জানানো হয়।

বাংলাদেশ-ভারত রক্তাক্ত সীমান্ত- ফেলানীসহ বাংলাদেশি নাগরিকদের ভারতীয় বিএসএফ বাহিনী কর্তৃক হত্যা, নির্যাতন, গুম, পুশইনের বিচার করতে হবে এবং মানবাধিকার লঙ্ঘন বন্ধ করতে হবে’ শীর্ষক এই কর্মসূচিতে অধিকার-এর নেতারা ও বিশিষ্টজনেরা অংশ নেন। মানববন্ধনে অধিকারের পরিচালক এস এম নাসির উদ্দিন এলান বলেন, আপনারা জানেন, গুমের শিকার এক ব্যক্তিকে বাসা থেকে তুলে নিয়ে গিয়েছিল বাংলাদেশের র‌্যাব। তাকে ভারতে পাঠানোর পর সেখানে তার বিচার করে জেলে রাখা হয়েছিল। এটি ছিল একটি দ্বৈত শাসন। বাংলাদেশি মানুষ ভারতীয় মদদপুষ্ট এই ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করে ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন ঘটিয়েছে। বাংলাদেশ আজ স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ হিসেবে ভারতের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ চালিয়ে যাবে- এই আকাক্সক্ষা করি।

মুক্তি কাউন্সিলের সম্পাদক ফয়জুল হাকিম বলেন, সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিকদের গুলি করে হত্যা করা হয়। এই হত্যার বিরুদ্ধে মানুষ দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবাদ জানালেও পতিত খুনি ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের আমলে আমরা দেখেছি, সেই সরকারের মন্ত্রী ও রাজনৈতিক নেতারা সীমান্ত হত্যাকে সমর্থন করেছে।