গতকাল রাজধানীসহ কয়েকটি স্থান থেকে নিহত ৮ ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এরমধ্যে রাজধানীর নয়াপল্টন ও গুলিস্থান থেকে নিহত ব্যক্তির হাড় ও পায়ের খণ্ডিত অংশ উদ্ধার। পাবনায় দাদি নাতনীর, মতলবে ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে বৃদ্ধার লাশ, গাজীপুর থেকে ২ জনের পোড়া লাশ, গোবিন্দগঞ্জে শিক্ষিকার লাশ উদ্ধার এবং নোয়াখালীতে এক শিশুর পুকুরে ভাষা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এছাড়া ধর্ষণের অভিযোগে একজন অধ্যক্ষকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকার নয়া পল্টন ও গুলিস্তান এলাকায় সড়কের পাশ থেকে কাটা একটি পা ও দুটি হাত উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরে হাতের আঙ্গুলের ছাপ নিয়ে পুলিশ জানতে পেরেছে, দেহের খ-িত তিনটি অংশই ৩০ বছর বয়সী ওবায়দুল্লাহ নামের এক ব্যক্তির; তার বাড়ি নরসিংদীর শিবপুরে।
শুক্রবার রাত ২টার দিকে নয়া পল্টনে আনন্দ কমিউনিটি সেন্টারের সামনে থেকে একটি পা ও গতকাল শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বায়তুল মোকাররমের সামনে থেকে দুটি হাত উদ্ধারের কথা জানিয়েছেন পুলিশের মতিঝিল বিভাগের উপকমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ। তিনি বলেন, আমরা প্রথমিকভাবে ওই ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত করতে পেরেছি, বিষয়টি নিয়ে কাজ করছি। দেহের বাকি অংশের খোঁজ করা হচ্ছে, এছাড়া কে বা কারা খ-িত অংশ ফেলে গেল, তাদের শনাক্ত করতে ঘটনাস্থল ও আশেপাশের সিসিটিভি ভিডিও ফুটেজ দেখা হচ্ছে।
এক প্রশ্নের জবাবে পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, নিহত ওই যুবকের বাড়ির ঠিকানায় যোগাযোগ করা হয়েছে। এখনো বলার মত কিছু হয়নি, আমরা কাজ করছি।
পল্টন থানার ওসি মো. মোস্তফা কামাল খান বলেন, বায়তুল মোকাররম মসজিদের দক্ষিণ ও উত্তর গেটের মাঝামাঝি এলাকায় সড়কে খ-িত দুটি হাত পাওয়া যায়। এর আগের রাতে স্কাউট ভবনের সামনের সড়ক থেকে একটি বিচ্ছিন্ন পা উদ্ধার করা হয়। ওসি আরও বলেন, পরে হাতের ফিঙ্গারপ্রিন্ট সংগ্রহ করে জানা যায়, ওবায়দুল্লাহ নামে এক ব্যক্তির দেহের অংশ এই হাত ও পা। তার বাড়ি নরসিংদীর শিবপুর উপজেলায়। দেহের অংশবিশেষ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে। দেহের বাকি অংশ উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।
পাবনা সংবাদদাতা: পাবনার ঈশ্বরদীতে গভীর রাতে নিজ বাড়ি থেকে দাদিকে হত্যা ও নাতনিকে অপহরণের পর ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনা ঘটেছে। পৃথক স্থান থেকে পুলিশ দুইজনের লাশ উদ্ধার করেছে।
শনিবার দিবাগত রাতের কোনো এক সময় উপজেলার দাশুড়িয়া ইউনিয়নের ভবানিপুর উত্তরপাড়া এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঈশ্বরদী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মমিনুজ্জামান।
নিহতরা হলেন, ভবানিপুর উত্তরপাড়ার জয়নাল খা’র মা সুফিয়া খাতুন (৬৫) ও মেয়ে জামিলা আক্তার (১৫)।
জানা গেছে, মধ্যরাতে হঠাৎ কান্নাকাটির আওয়াজ শুনে রাস্তায় বের হয় স্থানীয়রা। পরে কান্নার আওয়াজ থেমে গেলে বাড়িতে চলে যান তারা। পরে সকালে বাড়ির উঠানে সুফিয়া খাতুনের রক্তাক্ত লাশ পাওয়া যায়। একপর্যায়ে জামিলাকে খোজাখুজির এক পর বিবস্ত্র অবস্থায় সরিসার ক্ষেতে লাশ পাওয়া যায়।
ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার জানায়, বিষয়টি নিয়ে পুলিশ কাজ করছে। তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মতলব (চাঁদপুর) সংবাদদাতা : চাঁদপুরের মতলব উত্তরে বাগানবাড়ি ইউনিয়নে নতুন হাপানিয়া গ্রামে প্রবাসীর পুরুষশূন্য বাড়িতে ঢুকে এক বৃদ্ধাকে শ্বাসরোধ করে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। একই বাড়ি থেকে পুত্রবধূকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার রাত থেকে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টার মধ্যে যেকোনো সময়ে এ ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করছে পুলিশ।
নিহত পারুল বেগম (৭০) মৃত লনু প্রধানের স্ত্রী। আহত অবস্থায় উদ্ধার হওয়া হালিমা আক্তার স্থানীয় নুরুল ইসলামের স্ত্রী।
প্রত্যক্ষদর্শী সাহেরা বেগম জানান, শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিদ্যুৎ বিলের কাগজ নিতে তিনি ওই বাড়িতে যান। বাইরে শিশু মাহাদি হাসান ও মারিয়াকে খেলতে দেখে তাদের কাছে পরিবারের অন্য সদস্যদের খোঁজ করেন। তখন শিশুরা জানায়, দাদু আর মা মারা গেছে। বিষয়টি শুনে তিনি ঘরে ঢুকে দেখেন পারুল বেগম উপুড় হয়ে পড়ে আছেন এবং অন্য কক্ষে হালিমা আক্তার হাত-পা বাঁধা অবস্থায় পড়ে আছেন। পরে তিনি চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন ছুটে আসে।
অপরদিকে পুত্রবধূ হালিমা আক্তার জানান, এশার নামাযের কিছুক্ষণ পর হঠাৎ মুখ বাঁধা অবস্থায় ৩-৪ জন দুর্বৃত্ত ঘরে প্রবেশ করে। তারা প্রথমেই তাকে জিম্মি করে হাত-পা বেঁধে ফেলে এবং ঘরের মালামাল লুটে নেয়। পরে পাশের কক্ষে গিয়ে তার শাশুড়ি পারুল বেগমকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। একপর্যায়ে তিনি অচেতন হয়ে পড়েন।
উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মিয়া মনজুর আমিন স্বপন জানান, দ্রুত হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হোক, যাতে এলাকায় নিরাপত্তা ফিরে আসে।
খবর পেয়ে চাঁদপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (মতলব সার্কেল) জাবির হুসনাইন সানীব ও মতলব উত্তর থানার ওসি (তদন্ত) প্রদীপ মন্ডল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
সহকারী পুলিশ সুপার (মতলব সার্কেল) জাবির হুসনাইন সানীব জানান, ঘটনার রহস্য উদঘাটনের জন্য কাজ চলমান রয়েছে।
স্টাফ রিপোর্টার, গাজীপুর: গাজীপুরে অজ্ঞাত যুবক ও মাদরাসা শিক্ষার্থীর আগুনে পোড়া লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ, যা এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। ঘটনা শ্রীপুর উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের বৃন্দাবন এলাকা ও সদর উপজেলার ভবানীপুর এলাকায় ঘটেছে।
শনিবার সকালে বৃন্দাবন এলাকা থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ ধারণা করছে, যুবককে হত্যার পর তার লাশ নির্জন এলাকায় নিয়ে পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। আনুমানিক বয়স ২০ বছরের যুবকের পরিচয় এখনও শনাক্ত করা যায়নি। দুপুরে সদর উপজেলার ভবানীপুর এলাকা থেকে নিখোঁজের একদিন পর মাদরাসা ছাত্র মাহাবুর ইসলাম রনি (১৪) এর আগুনে পোড়া লাশ উদ্ধার করা হয়। রনি ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুর থানার দৌলতপুর গ্রামের সোহাগ মিয়ার ছেলে। তিনি পরিবারের সঙ্গে ভবানীপুর এলাকায় ভাড়া থেকে স্থানীয় মাদরাসায় পড়াশোনা করতেন।
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাছির আহমদ জানান, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। যুবকের লাশ পোড়ানোর জন্য দাহ্য পদার্থ ব্যবহার করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। লাশের পরিচয় শনাক্তকরণ ও ঘটনার রহস্য উদঘাটনের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) এবং পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ময়নাতদন্তের পাশাপাশি ডিএনএ প্রোফাইল সংরক্ষণসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় কার্যক্রম নেওয়া হচ্ছে।
জয়দেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, রনি শুক্রবার রাত ৯টার পর থেকে নিখোঁজ ছিল। পরিবারের খোঁজাখুঁজির পর সকালে স্থানীয়রা ভবানীপুরে তার আগুনে পোড়া লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়। পরে রনির পরিবার লাশ শনাক্ত করে। পুলিশ লাশগুলো ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠিয়েছে এবং ঘটনার প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেছে।
শুধু স্থানীয় নয়, পার্শ্ববর্তী থানাগুলোতেও একই বয়সী নিখোঁজ কোনো ব্যক্তি আছে কিনা তা পুলিশ যাচাই করছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
গোবিন্দগঞ্জ (গাইবান্ধা) সংবাদদাতা: গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার চক গোবিন্দপুর এলাকায় চন্ডিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শামসুন্নাহার রুমা (৪৫) কে নিজ বসতবাড়ির ঘরের ভেতরে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
গতকাল শনিবার দুপুরের পর কে বা কারা তার বাড়ির ঘরে প্রবেশ করে তাকে হাত-পা বেঁধে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করে পালিয়ে যায়। পরে ঘরের ভেতরে তার নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখে প্রতিবেশীরা বিষয়টি টের পান। ঘরের আসবাবপত্র অগোছালো ও এলোমেলো অবস্থায় পাওয়া গেছে।
খবর পেয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। হত্যার কারণ ও জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। শামসুন্নাহার রুমা গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার ফুলবাড়ি ইউনিয়নের ফুলবাড়ি গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সোলায়মান আলীর মেয়ে। রুমা হত্যাকান্ডে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি মির্জা মোঃ শওকত জ্জামান প্রধান এক বিবৃতিতে তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছেন সেই সাথে দোষী ব্যক্তিদের অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবী জানান।
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে রঞ্জু (৫০) নামে এক কলেজ অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে নিজ কলেজের একজন ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় শুক্রবার মধ্যরাতে তাকে পৌর এলাকার পান্থাপাড়ার বাসা থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতারকৃত রঞ্জু উপজেলার পন্ডিতপুর কলেজের অধ্যক্ষ। তিনি একই উপজেলার গুমানীগঞ্জ ইউনিয়নের খড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা। ধর্ষণের শিকার কলেজ ছাত্রী জানান, উপবৃত্তির ফর্মে স্বাক্ষরের কথা বলে তাকে মোবাইল ফোনে পান্থাপাড়াস্থ বাসায় ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেন অধ্যক্ষ রঞ্জু। গত ১৮ ডিসেম্বর বেলা ১১ টায় ধর্ষণের এ ঘটনা মোবাইল ফোনে ভিডিও করা হয়। এরপর থেকে তিনি ওই ভিডিও ফেসবুকে ছেড়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে তাকে ব্লাকমেইলিং করার চেষ্টা করছিল। এ ঘটনায় ভুক্তভোগি কলেজছাত্রী বাদি হয়ে গত শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮ টার দিকে অধ্যক্ষ রঞ্জুকে আসামি করে গোবিন্দগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা উপ পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) শাহজাহান জানান, এরই প্রেক্ষিতে অধ্যক্ষ রঞ্জুকে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া ওই কলেজছাত্রীকে শারীরিক পরীক্ষার জন্য গাইবান্ধা আধুনিক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, গ্রেপ্তার রঞ্জুকে জেলা কারাগারে পাঠানোর আবেদনসহ গোবিন্দগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। আদালতের বিচারক এস এম গালিব হাসান আবেদনের শুনানী শেষে তাকে জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
নোয়াখালী সংবাদদাতা : নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলায় নিখোঁজের দুই দিন পর বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে নাদিয়া সুলতানা (২) নামে এক শিশুর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহত নাদিয়া দেওটি ইউনিয়নের পিতাম্বরপুর গ্রামের মিন হাজীবাড়ির সৌদি প্রবাসী নাহিদ হাছানের মেয়ে। গতকাল শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার দেওটি ইউনিয়নের পিতাম্বরপুর গ্রাম থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে বাড়ির আঙিনা থেকে নিখোঁজ হয় নাদিয়া। পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। এ ঘটনায় তারা সোনাইমুড়ী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। শনিবার সকালে বাড়ির পাশের একটি ডোবায় লাশ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা সোনাইমুড়ী থানা পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।
এ বিষয়ে সোনাইমুড়ী থানার ওসি মো. কবির হোসেন বলেন, ডোবা থেকে লাশ উদ্ধার করে থানায় নেয়া হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।