নোয়াখালী সংবাদদাতা : নোয়াখালীর বারগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য অপহরণের মামলায় প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সচিব) কামরুল হাসানসহ দুই ছাত্রদল নেতাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন বিচারক।যাকে অপহরণ করেছিল তার নাম আবু জায়েদ স্বপন মেম্বার।

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিকেলে জেলা চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৬ নম্বর আমলি আদালতের বিচারক শাকিল আহমেদ এ আদেশ দেন।

আসামীরা হলেন, সোনাইমুড়ীর উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও মিয়াপুর গ্রামের মফিজ উল্যাহর ছেলে মাসুদ রানা (৪২), বারগাঁও ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও ভাবিয়াপাড়া গ্রামের সুয়া মিয়ার ছেলে নুর হোসেন (৩০) এবং ওই ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সচিব) কবিরহাট উপজেলার পূর্ব রাজুরগাঁও গ্রামের আবুল কালামের ছেলে কামরুল হাসান (৩২)।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ২৫ নভেম্বর বারগাঁও ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর পেয়ারপুর গ্রামের মৃত আবদুল জলিলের ছেলে ও ওই ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আবু জাহিদ স্বপনকে (৪৫) সোনাইমুড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে থেকে সচিব কামরুল হাসানের নেতৃত্বে অস্ত্রের মুখে অপহরণ করে অজ্ঞাতস্থানে নিয়ে আটকে রাখা হয়।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী আবু জাহিদ স্বপন বাদি হয়ে ছাত্রদলের নেতাসহ আটজনকে আসামী করে আদালতে মামলা দায়ের করেন। মামলার আসামিরা হলেন, মো. ওমর ফারুক (৩২), নুর হোসেন (৩০), মির হোসেন বাদশা (২৬), মাসুদ রানা (৪২), কামরুল হাসান (৩২), মিজানুর রহমান পলাশ (৩৮), ওমর ফারুক ভুইয়া (৪৮) ও মাহফুজুর রহমান ফরহাদ (৩৫)।

আদালত মামলাটি নোয়াখালী পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের নির্দেশ দেন। পরে পিবিআইয়ের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. ফরিদ উদ্দিন মামলাটি তদন্ত করে প্রাথমিক সত্যতা পেয়ে গত ২৫ জুলাই আট আসামীর বিরুদ্ধে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন পেশ করেন।