গাজীপুরে সৎ বাবার লালসার শিকার হয়েছে ১২ বছর বয়সী সৎ মেয়ে। পরে পুলিশ ধর্ষণের অভিযোগে সৎ বাবা অহিদুল ইসলামকে গ্রেফতার করেছে। গাজীপুর মহানগরের ২৭ নং ওয়ার্ড লক্ষ্মীপুরা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত অহিদুল রাজশাহী জেলার পুঠিয়া উপজেলার আনসার আলীর ছেলে। কাজের সুবাদে সে নগরের ২৭ নং ওয়ার্ড লক্ষ্মীপুরা এলাকায় স্ত্রী ও সৎ মেয়েকে নিয়ে ভাড়া বাসায় বসবাস করছিলেন। মায়ের দ্বিতীয় বিয়ের পর থেকে নাবালিকা মেয়েটি সৎ বাবার কাছেই থাকত।

ঘটনা জানাজানি হলে মঙ্গলবার থানায় এসে মা ও মেয়ের অভিযোগের ভিত্তিতে ওই রাতেই পুলিশ অহিদুল ইসলামকে গ্রেফতার করে।

বুধবার (২ এপ্রিল) রাতে সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মেহেদী হাসান জানান, নাবালিকা মেয়ে এবং তার মা থানায় এসে অভিযোগ জানানোর পরেই পুলিশ দ্রুত অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসে।

নির্যাতিতা নাবালিকা পুলিশের কাছে জানিয়েছে, গত কয়েক মাস ধরে তার সৎ বাবা অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি করে কুনজর দিত।

ভিকটিমের অভিযোগ, সে বাড়িতে একা থাকলে সৎ বাবা অহিদুল ইসলাম শরীরের বিভিন্ন স্পর্শকাতর স্থানে হাত দিত। ঘটনার দিন ১৪ ফেব্রুয়ারি রাতে একসাথে খাবার খাওয়ার সময় অহিদুল ইসলাম খাবারের সঙ্গে গোপনে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে দেয়। এরপর মা ও মেয়ে ঘুমিয়ে পড়লে সৎ বাবা কর্তৃক রাতেই নাবালিকা মেয়েটিকে ধর্ষণেরর শিকার হয়।

১লা এপ্রিল (মঙ্গলবার) ভিকটিম অসুস্থ হয়ে পড়লে তার মা সন্দেহ করেন। পরে মাকে সব ঘটনা জানালে তিনি থানায় অভিযোগ করেন।

ওসি আরও জানান, এ ঘটনা কাউকে জানালে মা-মেয়েকে হত্যার হুমকি দিয়েছিল অহিদুল ইসলাম।

মঙ্গলবার অভিযোগ পাওয়ার পরই পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে এবং আদালতের মাধ্যমে তাকে জেল হাজতে পাঠানো হয়।