ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম ধ্যাপক মো. আতাউর রহমান বিশ্বাস-এর স্মরণে এক শোকসভা ও দোয়া মাহ্ফিল গতকাল বুধবার নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন। ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ এই স্মরণসভার আয়োজন করে।
কলা অনুষদের ডিন ও বিভাগের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খানের সভাপতিত্বে স্মরণ সভায় সেন্ট্রাল উইমেন্স ইউনিভার্সিটির ভিসি অধ্যাপক ড. পারভীন হাসান, কলা অনুষদের সাবেক ডিন অধ্যাপক ড. সদরুল আমিন, প্রক্টর অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমদ, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সংখ্যাতিরিক্ত অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইব্রাহিম, অনারারি অধ্যাপক ড. নাজমা বেগম, অধ্যাপক ড. আয়শা বেগম, অধ্যাপক ড. নাজমা খান মজলিস, অধ্যাপক ড. হাবিবা খাতুন, অধ্যাপক মো. মাহফুজুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান, অধ্যাপক ড. মো. নুরুল আমিন, অধ্যাপক ড. মো. এ কে এম গোলাম রব্বানী, অধ্যাপক ড. মো. আবদুর রহিম, ডাকসু’র ভিপি সাদিক কায়েম, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ প্রাক্তন ছাত্র সমিতির উপদেষ্টা মঞ্জুরুল আলম খান এবং সভাপতি মিসেস শবনম শেহনাজ চৌধুরী দীপা প্রমুখ আলোচনায় অংশ নেন।
পরিবারের সদস্যদের পক্ষে মরহুম অধ্যাপকের কন্যা আতিয়া রহমান রিফা বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালন করেন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মাহমুদুর রহমান।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান মরহুম অধ্যাপক মো. আতাউর রহমান বিশ্বাস-এর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, তিনি অনেক মানুষের সম্মান ও ভালোবাসা পেয়েছেন।
তাঁর প্রতি মমত্ববোধের কারণে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ আজ একত্রিত হয়েছে। মানুষের মন ও হৃদয় তিনি ছুঁয়ে গেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সংকটকালে তাঁকে পাশে পেয়েছি। তিনি সহকর্মীদের প্রতি মমতা ও বিশ্বস্ততা দেখিয়েছেন। শিক্ষা ও গবেষণায় অনন্য অবদানের জন্য তিনি স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।
মরহুমের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মুহাম্মদ ওমর ফারুক। শোক প্রস্তাব উপস্থাপন করেন অধ্যাপক ড. মো. সাইফুল্লাহ। সংক্ষিপ্ত জীবনী তুলে ধরেন অধ্যাপক ড. নুসরাত ফাতেমা। শোকসভায় বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা
উপস্থিত ছিলেন।