খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) কর্মচারী সমিতির কার্যনির্বাহী পরিষদের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনে সভাপতি পদে শেখ এরশাদ আলী (সিনিয়র অফিস সহায়ক) এবং সাধারণ সম্পাদক পদে শেখ হাফিজুর রহমান (সিনিয়র ল্যাব সহকারী) নির্বাচিত হয়েছেন। সমিতির ১২টি পদের মধ্যে ৬টি পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় নির্বাচিত হয়েছে। বাকি ৬টি পদে মোট ২৩জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। গত সোমবার সকাল ৯ টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয় বিরতিহীনভাবে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত চলে ভোটগ্রহণ। ভোটগ্রহণ ও গণনা শেষে বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার ইঞ্জিনিয়ার শেখ আবু হায়াত।
নির্বাচনে সভাপতি পদে শেখ এরশাদ আলী ৩০৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছে। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মুহাম্মাদ ইমদাদুল হক পেয়েছেন ১০১ ভোট এবং সাধারণ সম্পাদক পদে শেখ হাফিজুর রহমানের (সিনিয়র ল্যাব সহকারী) ৯১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি ছিলেন মো. জাকির হোসেন পেয়েছেন ৮৯ ভোট।
এছাড়া সহ-সভাপতি দুইটি পদে মো. এরশাদ আলী (২২৬) ও মো. ইয়াসিন আলী (২০৫), সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে মো. আরিফুল শেখ (২৩৫), সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মো. ডালিম হোসেন (১৬১) এবং নির্বাহী সদস্য পদে মো. জামাল হোসেন (২৪২), মিঠুন কুমার দাস (২৩৩), মো. রাসেল খান (২২২), মো. মাসুম মিজি (২১৯) এবং জি এম হাদিউজ্জামান (২১১) নির্বাচিত হয়েছেন। কর্মচারী সমিতির মোট ৪২৪জন ভোটারের মধ্যে ৪১৯ জন ভোটার তাদের ভোট প্রদান করেন।
এছাড়াও নির্বাচনে ৬টি পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় নির্বাচিতরা হলেন কোষাধ্যক্ষ পদে হাফিজুর রহমান (পিএ কাম কম্পিউটার), ক্রীড়া, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে মো. আবুল হোসেন (ইলেকট্রিশিয়ান), প্রচার ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক পদে মো. তরিকুল ইসলাম (সিনিয়র বুক সাটার), সহ-প্রচার ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক পদে মো. আব্দুল বারেক (জুনিয়র টেকনিশিয়ান), দপ্তর সম্পাদক পদে মো. লাভলু আকন (সিনিয়র নিরাপত্তা গার্ড), মহিলা বিষয়ক সম্পাদক পদে মোসা. নার্গিস বেগম (সিনিয়র ক্লিনার)। নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন কুয়েটের নির্বাহী প্রকৌশলী এস কে আবু হায়াত।
নির্বাচনে সহকারি নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব পালন করেন নির্বাহী প্রকৌশলী মো. গোলাম কিবরিয়া এবং নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করেন মো. সোহেল রানা, মো. রোকনুজ্জামান এবং রিপন শেখ।