খাদ্য, পানি ও বাতাসের মাধ্যমে মানবদেহে প্রবেশ করে মাইক্রোপ্লাস্টিক রক্ত, ফুসফুস ও বিভিন্ন অঙ্গে জমা হচ্ছে। এটি হৃদরোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি, কোষের ক্ষতি, হরমোন ও প্রজননতন্ত্রের ব্যাঘাত, রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস এবং দীর্ঘমেয়াদে ক্যান্সারের মতো মারাত্মক রোগের শঙ্কা তৈরি করতে পারে।

প্রধান স্বাস্থ্যঝুঁকি

রক্তনালী ও হৃদরোগ: রক্তে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি হৃদরোগ, স্ট্রোক ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

কোষ ও অঙ্গের ক্ষতি: এটি ফুসফুস, যকৃৎ ও কিডনির কোষে প্রদাহ ও অক্সিডেটিভ estrés বা জারণজনিত ক্ষতি ঘটায়।

হরমোন ও প্রজনন: প্লাস্টিকে থাকা রাসায়নিক (যেমন বিপিএ ও থ্যালেট) শরীরের হরমোন ব্যবস্থাকে নষ্ট করে এবং প্রজনন ক্ষমতা কমায়।

বিষাক্ত পদার্থ বহন: মাইক্রোপ্লাস্টিক ক্ষতিকর ভারী ধাতু এবং রোগজীবাণু বহন করে শরীরের ভেতরে নিয়ে যায়।

প্রতিরোধের উপায়

প্লাস্টিকের বোতলে পানি পান করা এবং প্লাস্টিক পাত্রে গরম খাবার খাওয়া বন্ধ করুন।

একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিক ও পলিথিন বর্জন করুন।

কাঁচ, লোহা বা সিরামিকের তৈরি পাত্র ব্যবহার করুন।

প্রতিরোধের উপায়