ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে ঘিরে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে আজ থেকেই মাঠে নামছে আইনশৃৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে মাঠ পর্যায়ে আনসার বাহিনীর সদস্যদের দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। এরই মধ্যে ১ হাজার ৫১ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন শুরু করেছেন। এছাড়া ভোটের আগের দিন, অর্থাৎ ১১ ফেব্রুয়ারি সকালে সারাদেশে প্রায় ১ লাখ ৫৭ হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হবে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
নির্দেশনায় বলা হয়, নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী (ভিডিপি), পাশাপাশি কোস্টগার্ডকে দায়িত্ব দেওয়া হবে। বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা দিতে ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’ ব্যবস্থার আওতায় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরাও মাঠে থাকবেন।
এবারের নির্বাচনে বিভিন্ন বাহিনীর মোট প্রায় ৯ লাখ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। এর মধ্যে আনসার ও ভিডিপির প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ সদস্য ভোটকেন্দ্রগুলোতে দায়িত্বে থাকবেন। পুলিশের প্রায় দেড় লাখ, সশস্ত্র বাহিনীর এক লাখ এবং বিজিবির আনুমানিক ৩৫ হাজার সদস্যও নির্বাচনী দায়িত্বে যুক্ত থাকবেন।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়, নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনী, বিজিবি, কোস্টগার্ড, র্যাব, পুলিশ, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) ও আনসার ব্যাটালিয়ন মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে। বিজিবি, র্যাব, এপিবিএন ও আনসার ব্যাটালিয়ন জেলা, উপজেলা ও থানা পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করবে। উপকূলীয় অঞ্চলে বিশেষভাবে দায়িত্বে থাকবে কোস্টগার্ড। সব বাহিনী সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করবে।
সূত্র জানায়, মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে সাধারণ ভোটকেন্দ্রে ১৬ থেকে ১৭ জন এবং ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ১৭ থেকে ১৮ জন করে পুলিশ ও আনসার সদস্য মোতায়েন থাকবে। মেট্রোপলিটন এলাকায় সাধারণ কেন্দ্রে ১৬ জন এবং ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ১৭ জন দায়িত্ব পালন করবেন।
এছাড়া দুর্গম হিসেবে চিহ্নিত ২৫ জেলার নির্দিষ্ট ভোটকেন্দ্রগুলোতেও ১৬ থেকে ১৮ জন করে নিরাপত্তা সদস্য মোতায়েন করা হবে। এসব বাহিনী ভোটগ্রহণের দুই দিন আগে থেকেই দায়িত্বে থাকবে এবং ভোটের দিন পর্যন্ত তাদের কাজ অব্যাহত থাকবে