প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, "সামনে কঠিন সময়, হেসেখেলে চললে দেশের অনেক ক্ষতি হবে।" তিনি বলেন, অতীতে ধ্বংসের কিনারা থেকে দেশকে রক্ষা করেছে বিএনপি, এবারও করবে, তবে সামনের পথে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপির আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
আজ রোববার বিকেলে রাজধানীর খামারবাড়ির কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে এই সভা শুরু হয়। অনুষ্ঠানে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সভাপতিত্ব করেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁর বক্তব্যে পিতা জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক দর্শন ও স্বাধীনতা-পরবর্তী রাষ্ট্র গঠনে অবদানের কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, দেশ এখন স্বৈরাচারের পতনের পর নতুন করে গড়ার সুযোগ পেয়েছে, কিন্তু এই স্বাধীনতাকে অর্থবহ করতে ধ্বংসস্তূপ থেকে দেশকে তুলতে হবে। এজন্য হালকা মনোভাব পরিহার করে কাজকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।
আলোচনা সভায় বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সেলিমা রহমান, সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনসহ সিনিয়র নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী, প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এবং ছাত্রদল-যুবদলের নেতৃবৃন্দও মঞ্চে ছিলেন।
সভার শুরুতে জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জন্য বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়, পরে উপস্থিত সবাই দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন।
বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়, সভায় জিয়াউর রহমানের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা, বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং 'সবার আগে বাংলাদেশ' দর্শন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।