প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন বলেছেন, সরকার ও ইসি একসাথে গণভোটের প্রচারণা চালাবে; পাশাপাশি তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়কে প্রচারণার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

শনিবার ( ২৯ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে চলা মক ভোটিং পরিদর্শন শেষ সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে ডিসেম্বর মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে।

সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে ঢাকায় ‘মক ভোটিং’ আয়োজন করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

এদিন সকাল ৮টা থেকে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে শুরু হওয়া ভোটের এ মহড়া চলবে বেলা ১২টা পর্যন্ত। নারী-পুরুষ মিলে মোট ৫১০ জন ভোটার এতে অংশ নিচ্ছেন।

কেন্দ্র পরিদর্শনে এসে ইসি সচিব আখতার আহমেদ বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট যেহেতু একদিনেই অনুষ্ঠিত হবে, তাই পুরো প্রক্রিয়া আরও দক্ষভাবে সম্পন্ন করতে আগেই অভিজ্ঞতা ঝালাই করে নিচ্ছি।

কেন্দ্রের ভেতরে ভোটাররা লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিচ্ছেন। নারী ও পুরুষের জন্য আলাদা ভোটকক্ষ রাখা হয়েছে।

এ মক ভোটিংয়ে প্রবীণ ভোটার, বস্তিবাসী, শিক্ষার্থী, হিজড়া, প্রতিবন্ধী ও নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (ইটিআই) প্রকল্পের ভোটাররা অংশ নিচ্ছেন। পোস্টাল ব্যালটেও ভোটের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

‘মক ভোটিংয়ে’ রিটার্নিং কর্মকর্তা করা হয়েছে ঢাকার আঞ্চলিক কর্মকর্তাকে। সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা রয়েছেন দুজন। ইসির নিজস্ব কর্মকর্তাদের মধ্য থেকে প্রিজাইডিং কর্মকর্তা থাকবেন ছয়জন, পাঁচটি কক্ষে পোলিং কর্মকর্তা থাকবেন ১০ জন। পোলিং এজেন্ট হিসেবে রয়েছেন ২০ জন কর্মকর্তা।