প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম জানিয়েছেন হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালসহ হত্যাযজ্ঞে জড়িতদের দেশে ফিরিয়ে এনে দ্রুত রায় কার্যকর করা হবে।
শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) সকালে মাগুরায় আন্তঃজেলা কলেজ ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন।
এ সময় নির্বাচন প্রসঙ্গে শফিকুল আলম বলেন, আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ নির্বাচন কেউ প্রতিহত করতে পারবে না।
এর আগে সকালে মাগুরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে বেলুন উড়িয়ে এই টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন প্রেসসচিব।
শফিকুল আলম বলেন, শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল বিচারের রায় মৃত্যুদণ্ড হয়েছে। আমরা চাই তাদের দেশে এক্সট্রাবিশন করা হোক। তাদের আপিল করার অধিকার আছে। দেশীয় আন্তর্জাতিক নিয়ম মেনে তাদের রায় দ্রুত কার্যকর হয় আমরা সেইটা করবো। যারা যারা এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিল। যাআমরা ফেল করলে এটা পরবর্তী জেনারেশন নেবে। এ জায়গায় কারও ছাড় নেই। দেশে প্রত্যেকটা মানুষ একতাবদ্ধ তাদের ছেলে মেয়েকে যারা খুন করেছে, পঙ্গু করে দিয়েছে তাদের দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের আওতায় আনবো এটা আমাদের শপথ। আমাদের হাতে ৭০ দিনের মতো আছে ইলেকশনের আগ পর্যন্ত আমরা পারবো কি না জানি না, তবে আমাদের চেষ্টা থাকবে।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব বলেন, আমরা কোনো মাইনাস ফোরের কথা বলিনি। এ কথা যারা বলছে তারা স্বৈরাচারের দোসরের মতো। যিনি মাইনাস হয়েছেন তিনি হত্যাযজ্ঞ করে মাইনাস হয়েছেন। উনি উনার পরিবারকে নিয়ে চোরতন্ত্র জারি করেছিলেন সে জন্য উনি মাইনাস হয়ে গেছে। খালেদা জিয়া আমাদের জাতীয় নেতা। আপামর জনসাধারণের নেতা। উনি শুধু বিএনপির নেতা না। আমরা তার সুস্থতা কামনা করি। তিনি দেশে ফিরে আসুক। বাংলাদেশের তার প্রেজেন্টটা খুবই প্রয়োজন। আমরা চাই উনি নির্বাচনে থাকবেন এবং কনটেস্ট করবেন।
তিনি বলেন, একটি অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশন সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা সম্পন্ন করেছে। আমরা চাই দেশে শান্তি ও সুষ্ঠু নির্বাচন।