প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খেলোয়াড়দের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, আপনারা কোনো রাজনৈতিক দলের সদস্য হবেন না। পেশাদার খেলোয়াড়ি জীবনে আপনারা কোনো রাজনৈতিক দল বা গোষ্ঠীর নয় বরং ক্রীড়া নৈপুণ্য দিয়ে দেশের প্রতিনিধিত্ব করুন। দেশে-বিদেশে বিজয়মাল্য বরণ করে বিশ্ব ক্রীড়া জগতে বাংলাদেশকে উচ্চতর মর্যাদার আসনে সমাসীন রাখুন।
রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় তেজগাঁওস্থ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে ক্রীড়াকার্ড ও ভাতা প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব কথা বলেন।
সক্রিয় খেলোয়াড় থাকা অবস্থায় রাজনীতিতে যুক্ত হওয়া কতটা যৌক্তিক, এই আলোচনা বেশ পুরনো। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের পর খেলোয়াড়দের রাজনীতিতে জড়ানো আবার নতুন করে আলোচনায়।
কারণ, বাংলাদেশ ক্রিকেটের দুই বড় তারকা সাকিব ও মাশরাফি দুজনই খেলোয়াড়ি ক্যারিয়ারের সময় বা কাছাকাছি সময়ে সরাসরি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন।
মাশরাফি বিন মুর্তজা ২০১৮ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন, তখনও তিনি জাতীয় দলের হয়ে খেলছিলেন। একইভাবে সাকিব আল হাসানও পরবর্তীতে নির্বাচনে অংশ নিয়ে সংসদ সদস্য হন, যদিও সে সময় তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার পুরোপুরি শেষ হয়নি।
একজন পেশাদার খেলোয়াড়ের প্রধান দায়িত্ব মাঠের পারফরম্যান্সে মনোযোগ দেওয়া।
রাজনীতিতে সম্পৃক্ততা অনেক ক্ষেত্রে মনোযোগে বিঘ্ন ঘটাতে পারে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের প্রতিনিধিত্বের ক্ষেত্রে প্রশ্ন তুলতে পারে নিরপেক্ষতা নিয়ে। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে মূলত খেলোয়াড়দের নিরপেক্ষতা ও পেশাদারিত্বের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, রাজনীতিতে জড়ানোর কারণেই দেশের সেরা অলরাউন্ডার সাকিব দীর্ঘদিন মাঠের বাহিরে। বারবার তার দলে ফেরার সম্ভাবনা তৈরি হলেও রাজনৈতিক মামলার কারণে তার ফেরার পথ সংকুচিত হয়ে আছে। তিনি দেশের বাহিরে বিভিন্ন ঘরোয়া লিগ খেলে সময় পার করছেন।