আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণায় কোনো ধরনের আলোকসজ্জা ব্যবহার করা যাবে না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
ইসির জারি করা ‘নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা ২০২৫’–এর ১৩ ধারায় এ সংক্রান্ত নির্দেশনা উল্লেখ করা হয়েছে। বিধিমালায় গেইট, তোরণ, প্যান্ডেল ও ক্যাম্প স্থাপনসহ নির্বাচনী প্রচারণায় আলোকসজ্জা ব্যবহারের বিষয়ে স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
(ক) কোনো গেইট বা তোরণ নির্মাণ করিতে পারিবে না, এবং চলাচলের পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারী কোনো সামগ্রী স্থাপন বা কোনো স্থাপনা নির্মাণ করিতে পারিবেন না।
(খ) ৪০০ (চারশত) বর্গফুট এর অধিক স্থান লইয়া কোনো প্যান্ডেল তৈরি করিতে পারিবেন না।
(গ) প্রচারণার অংশ হিসাবে কোনো প্রকার আলোকসজ্জা করিতে পারিবেন না।
(ঘ) কোনো সড়ক কিংবা জনগণের চলাচল ও সাধারণ ব্যবহারের জন্য নির্ধারিত স্থানে নির্বাচনি ক্যাম্প স্থাপন করিতে পারিবেন না।
(ঙ) একজন প্রার্থী দলীয় ও সহযোগী সংগঠনের কার্যালয় নির্বিশেষে প্রতিটি ইউনিয়নে বা প্রতিটি পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশন এলাকার প্রতি ওয়ার্ডে একটির অধিক নির্বাচনি ক্যাম্প অথবা কোনো নির্বাচনি এলাকায় একটির অধিক কেন্দ্রীয় নির্বাচনি ক্যাম্প স্থাপন করিতে পারিবেন না।
(চ) নির্বাচনি ক্যাম্পে ভোটারগণকে কোনোরূপ কোমল পানীয় বা খাদ্য পরিবেশন বা কোনোরূপ উপঢৌকন প্রদান করিতে পারিবেন না।
আচরণ বিধির ১৪ ধারাতে বলা হয়েছে, নির্বাচনি প্রচারণার ক্ষেত্রে- (ক) যে কোনো ধরনের বিলবোর্ড ব্যবহার করা যাইবে, তবে বিলবোর্ডে প্রচারণার অংশের আয়তন অনধিক ১৬ (ষোলো) ফুট × ৯ (নয়) ফুট হইতে হইবে।
(খ) কোনো প্রার্থী কোনো নির্বাচনি এলাকায় ২০ (বিশ) টির অধিক বিলবোর্ড ব্যবহার করিতে পারিবেন না।
(গ) বিলবোর্ড স্থাপনের মাধ্যমে কোনোক্রমেই জনসাধারণের বা যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করা যাইবে না, এবং পরিবেশের ক্ষতি বা নিরাপত্তা বিঘ্নিত করে এমনভাবে বিলবোর্ড স্থাপন করা যাবে না।
সংসদ নির্বাচনে দলগুলো ১৭৩২ জন প্রার্থী আর স্বতন্ত্র ২৪৯ জন মিলে এবার মোট প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী থাকল ১৯৮১ জন। এর মধ্যে ধানের শীষ ২৮৮ জন, দাঁড়িপাল্লা ২২৪ আর হাতপাখার ২৫৩ প্রার্থী রয়েছে। ইতোমধ্যে প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা নির্বাচনি প্রচারেও নেমেছেন। আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত প্রচার চলবে। আর ভোটগ্রহণ হবে ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।