জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মুয়ায্যম হোসাইন হেলাল ২৮ অক্টোবরের পরে ২০০৮ সালে বিতর্কিত নির্বাচন করে সংবিধান কাটাছেরা ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান সমূহ্ ধ্বংস করে দেশের সামগ্রিক অবস্থা ধ্বংস করা হয়েছে। সেই সংবিধানের দোহাই দিয়ে সংবিধানে নেই এমন কথা বলে গণভোটকে অমূল্যায়ন করছে বিএনপি সরকার। ২১২ আসন পেয়ে জনরায়কে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে যা করতে চাচ্ছেন তা এদেশে আর হবে না। মনে রাখবেন সংবিধানে গণঅভ্যুত্থান নেই কিন্তু জনগণ সেটা করে দেখিয়েছে, জনরায়কে অবমূল্যায়ন করে ক্ষমতায় টিকে থাকা সম্ভব না।

গত ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বরিশাল মহানগর জামায়াতের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ২৪ এর জুলাই বিপ্লব শুধু বাংলাদেশ না বরং বিশ্বের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিপ্লব। বেগম খালেদা জিয়া জেলখানায় ছিলেন তিনি এই বিপ্লবের মাধ্যমে বের হয়েছেন, তারেক রহমান দেশে আসছেন। এসব কিছু সম্ভব হয়েছে একমাত্র জুলাই বিপ্লবের কারণে। তিনি আরো বলেন, কারা জনগণের পাশে আছে, কারা লুটপাট মুক্ত থাকছে, কারা মানবিক কাজ করছে সেটা জনগণ জানে, সুতরাং কোন ষড়যন্ত্র করে কেহ পার পাবে না।

কোতোয়ালি উত্তর থানা সেক্রেটারি ও মহানগরী শুরা সদস্য হাফেজ জাবের হাসানের সঞ্চালনায় এবং কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও বরিশাল মহানগরী আমীর জহির উদ্দিন মু. বাবরের সভাপতিতে প্রোগ্রামে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বরিশাল প্রেসক্লাব সভাপতি অধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম খসরু, মহানগর কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা হাবিবুর রহমান ও শামিম কবির। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কোতোয়ালি উত্তর থানার নায়েবে আমীর অধ্যাপক গোলাম গোফরান, কোতোয়ালি থানার কর্মপরিষদ সদস্য বায়জীদ বোস্তামী, মোকছেদুর রহমান, আব্দুস সাত্তার খান প্রমূখ নেতৃবৃন্দ।

সভাপতির বক্তব্যে মহানগর আমীর জহির উদ্দিন মু. বাবর বলেন, নির্বিচারে গুলিবর্ষণ ও গনহত্যার প্রতিবাদে বাংলাদেশর জনগণ পাকিস্তানি শাসক গোষ্ঠির বিরুদ্ধে সংগ্রাম করছে এবং দেশ স্বাধীন করছে কিন্তু জনগণ তাদের অধিকার পায়নি সেজন্য জনগণ জুলাইয়ে আবার রাস্তায় নামতে বাধ্য হয়েছিল। প্রায় ২ হাজার শহীদ ও প্রায় ৩০ হাজার আহত জুলাই যোদ্ধাদের ত্যাগের বিনিময়ে আপনারা ফাসির আসামি থেকে ক্ষমতাসীন হয়েছেন। সুতরাং জনগনের পালস বুঝতে না পরলে আবার বিপদ হতে হবে। ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিতে না পারলে ইতিহাস কিন্তু ছার দিবে না।