আব্দুল মোমিন, নারায়ণগঞ্জ : রাজধানীর সবচেয়ে কাছের জেলা ও প্রাচ্যের ডান্ডি খ্যাত নারায়ণগঞ্জের সংসদীয় আসন পাঁচটি। অর্থনৈতিক দিক থেকে বাংলাদেশের প্রথম সারির জেলা এটি। নির্বাচন কমিশনারের আসন শ্রেণী বিন্নাস সমীকরণ শেষে পাঁচটি আসনই বলবৎ রয়েছে নারায়ণগঞ্জ জেলায়। শিল্প-কারখানা অধ্যুষিত এই জেলা দেশের রাজনীতিতে বরাবরই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আসন্ন নির্বাচন সামনে রেখে নারায়ণগঞ্জে এখন বইছে ভোটের হাওয়া। বিএনপি, জামায়াত, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), ইসলামী আন্দোলন, জনতার দল, গণ অধিকার পরিষদসহ বিভিন্ন দলের নেতারা মাঠে সক্রিয় হয়েছেন। প্রতিটি আসনে বিএনপির একাধিক প্রার্থী থাকলেও জামায়াতের একক প্রার্থী মাঠে রয়েছে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এরই মধ্যে প্রার্থী চূড়ান্ত করে প্রচার-প্রচারণায় নেমে পড়েছে। ভোটারদের মন জয় করতে সব দলের প্রার্থীরাই গণসংযোগে ব্যস্ত সময় পার করছেন।
নারায়ণগঞ্জ -১ রূপগঞ্জ উপজেলার দুইটি পৌরসভা ও ৭ ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এই আসন। এটি শিল্প-কলকারখানা সমৃদ্ধ, বিস্তীর্ণ বনাঞ্চল ও কৃষি সমৃদ্ধ এলাকা। আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে কেন্দ্রীয় নেতা থেকে শুরু করে মহানগর, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে আলোচনায় রয়েছেন বিএনপি’র হেভিওয়েট ৪ নেতা। এরমধ্যে ২ জনই রয়েছেন কেন্দ্রীয় নেতা। একজন দায়িত্ব পালন করছেন জেলা বিএনপির ১ নং যুগ্ম আহ্বায়ক হিসাবে। এই নির্বাচনী এলাকায় কমিটি গঠনসহ নানা বিষয় নিয়ে বিএন-পি’র অভ্যন্তরীণ বিরোধ রয়েছে। বিরোধ প্রকাশ পেয়েছে তাদের মিছিল-মিটিংয়ে। পাল্টাপাল্টি বক্তব্য ও মিছিল-মিটিং করতে দেখা গেছে নানা ইস্যুতে। তাদের রাজনৈতিক প্রধান প্রতিপক্ষ জামায়াতে ইসলামী এরই মধ্যে প্রার্থী জোরে শোরে নির্বাচনী মাঠে রয়েছে। আরও কয়েকটি রাজনৈতিক দল তাদের প্রার্থী চূড়ান্ত করছে। নিবন্ধন না পাওয়া দলও প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে। বিগত সময়ে এ আসনে আওয়ামী লীগের প্রাধান্য ছিল। ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পর তৎকালীন পাটও বস্ত্র মন্ত্রী এই আসনের সাবেক এমপি মুক্তিযোদ্ধা গোলাম দস্তগীর গাজী এখন বৈষম্যবীরোধী ছাত্র হত্যার একাধিক মামলার গ্রেফতার হয়ে কারাগারে। এখানকার আওয়ামী লীগের অন্যান্য শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ পালিয়ে আছেন দেশে-বিদেশে। তাদের অনেক নেতাকর্মীর নামে মামলা হয়েছে। এরমধ্যে অনেকেই গ্রেপ্তার হয়েছেন। অনেকেই গ্রেপ্তার আতঙ্কে আত্মগোপনে রয়েছেন। সবমিলিয়ে সামনের নির্বাচনের প্রেক্ষাপট কিছতা ভিন্ন। আগামী নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ -১ আসনে বিএনপি’র সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে ভোটের মাঠে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছেন বিএনপি’র কেন্দ্রীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য কাজী মনিরুজ্জামন মনির। আলোচনায় রয়েছেন নির্বাচনে দাঁড়িয়ে আওয়ামী লীগের আমলেও বারবার বিজয় ছিনিয়ে নেয়া সম্ভাব্য প্রার্থী কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও মোস্তাফিজুর রহমান দিপু ভূইয়া। এ ছাড়াও বিএনপি’র সম্ভাব্য প্রার্থীরা হলেন- রূপগঞ্জ থানা বিএনপির সভাপতি এড. মাহফুজুর রহমান হুমায়ুন, জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক সদস্য শরিফ আহমেদ টুটুল।
আগে নানা প্রতিকূলতার মধ্যে রাজনৈতিক কর্মকা- পরিচালনা করলেও রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর নির্বিঘেœ দলীয় কর্মসূচি পালন করছে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী। এই আসনে জামায়াতে ইসলামীর জেলা কর্মপরিষদ সদস্য বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেন মোল্লাকে একক প্রার্থী দিয়ে নির্বাচনী মাঠে রয়েছেন। দলটি তৃণমূল পর্যায়ে নিয়মিত সভা-সমাবেশ সহ প্রায় সকল নির্বাচনী প্রস্তুতি সম্পন্ন করছে। এই আসনে চমক দেখাতে চায় জামায়াতে ইসলামী। তাছাড়া অতীতের যে কোন সময়ের তুলনায় জামায়াতের প্রচার প্রচারণা চোখে পড়ার মতো।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সম্ভাব্য প্রার্থী মুফতি এমদাদুল হাসেমী এরই মধ্যে বিলবোর্ড ফেস্টুনসহ নানান ভাবে বেশ প্রচারণায় রয়েছেন।
নারায়ণগঞ্জ -২
এই আসনে আড়াইহাজার উপজেলার দুইটি পৌরসভা ও ১০টি ইউনিয়ন অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এ আসনটি শ্রমিক অধ্যুষিত ও কৃষি উন্নয়ন অঞ্চল। আসন্ন নির্বাচনে এই আসন থেকে প্রার্থী হওয়ার দৌড়ে রয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সদস্য ও (ঢাকা বিভাগীয়) সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম আজাদ, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অর্থ বিষয়ক সহ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান (সুমন), বিএনপির সাবেক এমপি আতাউর রহমান আঙ্গুর ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নেত্রী পারভিন আক্তার।
এই আসনে নারায়ণগঞ্জ জেলার সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ইলিয়াস মোল্লাকে প্রার্থী করেছে। জামায়াতে ইসলামী। জমিয়তে ইসলাম বাংলাদেশ প্রার্থী করেছে মাওলানা মাশরুর আহমাদ কে। এছাড়া ও এ আসনে জাতীয় পার্টি থেকে নির্বাচন করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আলমগীর কবির লোটন।
নজরুল ইসলাম আজাদ ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে এবং পাড়া-মহল্লায় সভা-সমাবেশ করছেন। তিনি মনে করেন যেখানেই যাচ্ছেন ব্যাপক সাড়া পাচ্ছেন। দল তাকেই মনোনয়ন দেবে বলে তার ধারণা।
মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ইলিয়াস মোল্লা বলেন, জামায়াতে ইসলামী অনিয়ম-দুর্নীতি দূর করে একটি সুন্দর সমাজের স্বপ্ন দেখে। তিনি এই লক্ষ্যে কাজ করছেন। অন্যায়ের প্রতিবাদে মানুষ জামায়াতে ইসলামীকে ভোট দেবে বলে তার বিশ্বাস।
নারায়ণগঞ্জ-৩
সোনারগাঁ উপজেলার ১টি পৌরসভা ও ১০ টি ইউনিয়ন এবং নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ১ থেকে ১০ পর্যন্ত ১১টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ৫ জন। তারা হলেন- নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক মামুন মাহামুদ, সাবেক এমপি মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন, সোনারগাঁ থানা বিএনপির সভাপতি আজাহারুল ইসলাম মান্নান, সাবেক প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক রেজাউল করিম, এ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য প্রিন্সিপাল ড. ইকবাল হোসাইন ভূঁইয়া। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস এর সিবলী সাদিক। এ ছাড়া এনসিপি থেকে মনোনয়ন নেওয়ার কথা রয়েছে কেন্দ্রীয় নেতা তুহিন মাহমুদ এর। নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মনে করেন আওয়ামী লীগ শাসনামলে রাজপথে থেকে বিএনপিও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের নিয়ে আন্দোলন সংগ্রাম করায় কারাবরণ করেছি। দলের হাইকমান্ড আমাকে ধানের শীষ প্রতীক দেবে বলে আমি আশাবাদী।
নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপি কমিটির সদস্য ও সাবেক ছাত্রনেতা আজাহারুল ইসলাম মান্নান ও মনোনয়ন পাবেন বলে আশাবাদী। তিনি বলেন সোনারগাঁ উপজেলা ও সিদ্ধিরগঞ্জ শিল্প এলাকা। বিগত এক বছর কারা কারা ঝুট ব্যবসার সাথে জড়িত ও জাহাজ খেয়ে ফেলেছে জনগণ তা জানে। তাদের মনোনয়ন দিলে ধানের শীষের পক্ষে বিজয় অর্জন করা সহজ হবে না। তিনি বলেন, আমি দলের নির্দেশনা সবসময় মেনে চলেছি। আমি আশাবাদী, দল আমাকে মনোনয়ন দেবে।
সাবেক এমপি অধ্যাপক রেজাউল করিম বলেন, আমার ওপর অর্পিত রাজনৈতিক দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করেছি এবং করবো। আমি ধানের শীষের মনোনয়নপ্রত্যাশী। একক জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী প্রফেসর ড. ইকবাল হোসাইন ভূঁইয়া বলেন, আমি চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী ও দুর্নীতি মুক্ত এলাকা গড়তে চাই। যেখানে সব নাগরিক তার অধিকার ভোগ করতে পারবে।
নারায়ণগঞ্জ -৪
ফতুল্লা উপজেলার ৫টি ও নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ২টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশা করে আসছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য শাহ আলম। এছাড়ও বিএনপির নেতৃত্বে গঠিত জোটের প্রার্থী হয়ে মুফতি মনির হোসাইন কাসেমীও রয়েছেন, রয়েছেন জেলা যুবদলের সদস্য সচিব মশিউর রহমান রনি, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোহাম্মদ আলীও মনোনয়ন প্রত্যাশী এই আসনে। জামায়াতে ইসলামী এ আসনে ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ও নারায়ণগঞ্জ মহানগরী আমীর মাওলানা আবদুল জব্বারকে প্রার্থী ঘোষণা করেছে।
এ আসনে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মাওলানা মুফতি ইসমাইল সিরাজি। এনসিপি থেকে এডভোকেট আবদুল্লাহ আল আমিন, খেলাফত মজলিস থেকে মুফতি ইলিয়াস আহমাদ।
মাওলানা আবদুল জব্বার বলেন, ‘স্বৈরাচার ফ্যাসিস্ট হাসিনা মানুষের ভোটের অধিকার হরণ করেছিল। দেশে গণতন্ত্র ও আইনের শাসন ছিল না। জামায়াতে ইসলামী জনগণের দল। মানুষের প্রত্যাশা পূরণের জন্য কাজ করছে। জামায়াত জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করবে। মানুষ এইবার আর ভূল করবেনা।
আলহাজ্ব শাহ আলম, বলেন আমি বিগত দিনে জিয়া পরিবারের সাথে থেকে কাজ করেছি। দল যাকে মনোনয়ন দেবে আমরা তার পক্ষেই কাজ করব ইনশাআল্লাহ। তবে এলাকাবাসী ক্লিন ইমেজের লোককে বেছে নেবে বলে মনে করেন তিনি। তবে অনেকে মনে করেন দল যদি তাকে না ও দেন তবুও স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে লড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
মুফতি মনির হোসাইন কাসেমী হেফাজতের কেন্দ্রীয় এই নেতা মনে করেন নেতাকর্মীদের দুর্দিনে পাশে ছিলাম, আমি নিজেও কারা নির্যাতিত। দল মূল্যায়ন করবে এবং আমি মনোনয়নের ব্যাপারে আশাবাদী। মুফতি ইসমাইল সিরাজি বলেন, ‘মানুষ আর দুঃশাসন-অনিয়ম দেখতে চায় না।
নারায়ণগঞ্জ -৫
নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ১১থেকে ২৭ নং ওয়ার্ড ও বন্দর উপজেলা নিয়ে এই আসন। এখানে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ও সাবেক মেয়র প্রার্থী এডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান। জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মাশুকুল ইসলাম রাজীব, সাবেক ছাত্র নেতা ও আলোচিত সমালোচিত জাকির খান। এছাড়া ও বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মাসুদুজ্জামন মাসুদ, যদিও সে গত ১৬ ডিসেম্বর ব্যক্তিগত নিরাপত্তা জনিত কারন দেখিয়ে নির্বাচন থেকে সরে আসার ঘোষণা দিয়েছেন। তবে একেক সময় একেক রকম কথা তার কাছ থেকে পাওয়া যাচ্ছে। তাছাড়া জাতীয় পার্টি নেতা,সাবেক বন্দর মুছাপুর ইউনিয়ন এর তিন বারের চেয়ারম্যান মাকসুদ হোসেন ও এই তালিকায় রয়েছে।
অপরদিকে জামায়াতের একক মনোনয়ন পেয়েছেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্ম পরিষদ সদস্য ও সাবেক মহানগরী আমীর ও নারায়ণগঞ্জ সদর-বন্দর উন্নয়ন ফোরামের সভাপতি মাওলানা মইনুদ্দিন আহমাদ।
এই আসনে খেলাফত মজলিসের’ কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক এবিএম সিরাজুল মামুন ও প্রার্থী হচ্ছেন। ইসলামী আন্দোলন এখানে প্রার্থী ঘোষণা করেছে মাওলানা মুফতী মাসুম বিল্লাহকে। এ ছাড়া এন-সিপির পক্ষ থেকে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন আহমেদূর রহমান তনু।
এডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, আগামী নির্বাচনে দল তাকে মনোনয়ন দেবে বলে তিনি আশাবাদী।
খেলাফত মজলিসের প্রার্থী এবিএম সিরাজুল মামুন জানান তিনি ই একমাত্র তার দলের প্রার্থী, আমি নির্বাচিত হলে নারায়ণগঞ্জ এর জন্য বেশ কিছু কাজের পরিকল্পনা নিয়েছি।
জামায়াতের প্রার্থী মাওলানা মইনুদ্দিন আহমাদ বলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একটি ন্যায় ইনসাফ ভিত্তিক সমাজ ও রাষ্ট্র বির্নিমানে কাজ করে যাচ্ছে। জামায়াতে ইসলামী এই আসনে নির্বাচিত হলে শহর ও বন্দরে মধ্যে উন্নয়নে কোন বৈষম্য থাকবেনা। আমরা বন্দর বাসীর বহু দিনের প্রত্যাশার হাজীগঞ্জ নবীগঞ্জ সেতু নির্মাণে ভূমিকা রাখবো। পাশাপাশি শহরের জলাবদ্ধতা, সমাজে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা ও নারায়ণগঞ্জ বাসীর জন্য একটি আধুনিক মেডিকেল কলেজ স্থাপনায় ভূমিকা রাখা হবে ইনশাআল্লাহ।