বগুড়া-৪ (কাহালু–নন্দীগ্রাম) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ড. মোস্তফা ফয়সাল পারভেজের নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিয়ে ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেছেন, দেশের মানুষ নতুন করে কোনো দুর্নীতিবাজ, চাঁদাবাজ ও দখলদারকে ক্ষমতায় বসানোর জন্য জুলাই বিপ্লবে জীবন দেয়নি। এক ফ্যাসিবাদের কবল থেকে মুক্ত হয়ে জনগণ আরেক ফ্যাসিবাদকে ক্ষমতায় বসতে দেবে না।
শনিবার দুপুরে কাহালু রেলওয়ে বটতলায় আয়োজিত ‘মার্চ ফর দাঁড়িপাল্লা’ কর্মসূচির আগে অনুষ্ঠিত বিশাল গণসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, জুলাই বিপ্লবের শহীদ ও আহতদের আকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ গড়তে হলে ন্যায় ও ইনসাফের প্রতীক দাঁড়িপাল্লাকে বিজয়ী করতে হবে।
ড. মোস্তফা ফয়সাল পারভেজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন তুরস্কের গাজী বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ড. মো. হাফিজুর রহমান, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের (চকসু) ভিপি ইব্রাহিম রনি, বগুড়া জেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা আব্দুল হক সরকার এবং বগুড়া-৩ আসনের জামায়াত প্রার্থী নূর মোহাম্মদ আবু তাহের। সমাবেশ পরিচালনা করেন ইসলামী ছাত্রশিবির বগুড়া জেলা পশ্চিম শাখার সভাপতি সাইয়্যেদ কুতুব সাব্বির।
শিবির সভাপতি তার বক্তব্যে বিএনপির সমালোচনা করে বলেন, বিএনপি একাধিকবার ক্ষমতায় এসে জাতিকে দুর্নীতি ছাড়া কিছুই দিতে পারেনি। হাওয়া ভবন সৃষ্টি করে তারা হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে। দুর্নীতির উদ্দেশ্যেই তারা আবার ক্ষমতায় আসতে চায়। তিনি ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে দুর্নীতিবাজদের প্রতিহত করার আহ্বান জানান।
ড. মোস্তফা ফয়সাল পারভেজ তার বক্তব্যে বলেন, কাহালু-নন্দীগ্রাম উত্তরাঞ্চলের একটি অবহেলিত এলাকা। তিনি নির্বাচিত হলে এলাকার রাস্তাঘাটের উন্নয়ন এবং শিক্ষিত বেকারদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
সমাবেশ শেষে ড. মোস্তফা ফয়সাল পারভেজের নেতৃত্বে রেলওয়ে বটতলা থেকে একটি বিশাল র্যালি বের হয়। র্যালিটি বগুড়া–ওগাঁ মহাসড়ক হয়ে নারহট্ট ইউনিয়নের বিবিরপুকুর বাজারে গিয়ে শেষ হয়। আয়োজকদের দাবি, এতে প্রায় ৩০ হাজারের বেশি মানুষ অংশগ্রহণ করেন। র্যালিতে গোটা এলাকা দাঁড়িপাল্লার স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে।
সমাবেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের জামায়াত, ছাত্রশিবির, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনসহ শরিক দলগুলোর নেতৃবৃন্দও বক্তব্য