নাটোর-২ (সদর–নলডাঙ্গা) আসনের ১১ দলীয় সমর্থিত ও জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক ইউনুস আলী বলেন, ফ্যামেলি কার্ডের নামে জাতিকে আমরা ভিক্ষুক বানাতে চাই না।
দাঁড়িপাল্লার গণজোয়ার দেখে একটি পক্ষ জাতিকে ফ্যামেলি ও কৃষি কার্ডের নামে ভিক্ষাবৃত্তি করাতে চায়। এদেশে চাঁদাবাজ একটি দল সব সময ভয়ভীতি দেখিয়ে ভোটের পরিবেশ নষ্ট করতে চায়।
এই ভয় ভীতি দেশের জনগণ কখনো মেনে নিবেনা। কোন ষড়যন্ত্রই এবার দাঁড়িপাল্লার বিজয়কে ঠেকাতে পারবেনা। আপনারা সবাই সন্ত্রাস চাঁদাবাজ ও দূর্নীতি রুখতে ন্যায় ও ইনসাফের পক্ষে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিন।
আজ বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সকালে নাটোর সদর উপজেলার দিঘাপতিয়া উত্তরা গণভবনের সামনে থেকে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করে ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম, ওয়ার্ড ও বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট প্রার্থনার সাথে ও পথসভায় ভোটারদেরকে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন, তাদের সমস্যা ও প্রত্যাশার কথা শোনেন এবং আগামীর সুন্দর বাংলাদেশ বিনির্মাণ, রাজনীতি ও উন্নয়নের ভাবণা তুলে ধরেন।
অধ্যাপক ইউনুস আলী বলেন, আমরা সারাজীবন ভুল করেছি। যোগ্য প্রার্থীকে আমরা ভোট দিতে পারিনি। ভুল জায়গায় বিশ্বাস করে বারবার ভোট দিয়েছি। সবাই কথা দিয়েছে, কিন্তু কেউ কথা রাখেনি।
তিনি আরও বলেন, আমি কথা দিয়ে যাচ্ছি আপনাদের কোন সমস্যার জন্য আমার পেছনে পেছনে ঘুরতেও হবে না। আল্লাহ যদি সুযোগ দেন, আমি নিজেই ঘুরে ঘুরে দেখবো ও কোথায় কী কাজ দরকার । আপনাদের বলার আগেই সেই কাজ বাস্তবায়নের চেষ্টা করবো। আমরা যদি করতে না পারি, আর কোনো দিন আপনাদের কাছে আসব না।
নির্বাচনী প্রচারনার সময় নাটোর-২ সদর আসনের এমপি প্রার্থী অধ্যাপক ইউনুস আলীর সঙ্গে ছিলেন নির্বাচন পরিচালক এবং জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি আতিকুল ইসলাম রাসেল, নাটোর সদর থানা আমীর মাওলানা মীর নুরুন্নবী,নাটোর শহর সেক্রেটারি আলি আল মাসুদ মিলন, দিঘাপতিয়া ইউনিয়ন আমীর মাওলানা আখের আলী জামায়াত নেতা রুহুল আমিন জিহাদি,মাওলানা আব্দুলমজিদ সহ স্থানীয় বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও প্রচুর ভোটারগণ উপস্থিত ছিলেন।
কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া নেতারা বলেন, জনগণের ভোট ও সমর্থনের মাধ্যমেই একটি সৎ, যোগ্য ও সন্ত্রাস চাঁদাবাজ মুক্ত জনকল্যাণমুখী নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। তারা সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।