জামায়াতের ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি ও লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের এমপি প্রার্থী ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম বলেছেন, তফসিল ঘোষণার সাথে সাথে এমপি প্রার্থী, জুলাই যোদ্ধা ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদীকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। সারাদেশের এসব ঘটনা এবং লক্ষ্মীপুরের ঘটনাগুলো খুবই স্পষ্ট; নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরিতে প্রশাসন ব্যর্থ হয়েছে। যারা এগুলো করছেন, তারা কি নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে হোক, এটা চান কিনা?
গতকাল শুক্রবার দুপুরে লক্ষ্মীপুর প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে সদর উপজেলার চরশাহী ইউনিয়নের সৈয়দ পুর গ্রামের বটতলা এলাকায় জামায়াতের নেতাকর্মীদের ওপর বিএনপির হামলার প্রতিবাদে ও আসামীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে জেলা জামায়াত এ সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করে।
রেজাউল করিম বলেন, প্রশাসনকে কখনো কখনো একপেশী নীতি অবলম্বন করতে দেখি। একপক্ষ মামলা দিতে গেলে ‘আরেক পক্ষ মামলা দেবে, নিজেরা সমঝোতা করুন’এ ধরনের কথা বলে। এ ধরনের কথা বলা উচিত নয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে অরাজনৈতিক ও নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি প্রত্যাশা করি। আমরা রাতেই এজাহার দায়ের করেছি, প্রশাসন এখনো মামলা গ্রহণ করেনি। তাহলে কি প্রশাসন নিরপেক্ষতা হারাতে বসেছে? যাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে, অবশ্যই তাদের গ্রেপ্তার করতে হবে।
এ সময় লিখিত বক্তব্য দেন জামায়াতের লক্ষ্মীপুর জেলা সেক্রেটারি এ আর হাফিজ উল্লাহ। এতে উপস্থিত ছিলেন জেলা সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা নাসির উদ্দিন মাহমুদ, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মমিন উল্লাহ পাটওয়ারী, লক্ষ্মীপুর শহর জামায়াতের আমীর অ্যাডভোকেট আবুল ফারাহ নিশান, চন্দ্রগঞ্জ থানা জামায়াতের সেক্রেটারি রেজাউল ইসলাম খান সুমন প্রমুখ।