ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনে (সদর) বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী জননেতা মোঃ নূরুল ইসলাম বুলবুল চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার শাহাজাহানপুর ইউনিয়নের নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, দিয়াড় অঞ্চলের উন্নয়নের জন্য দিয়াড় উপজেলা গঠনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। শাহজাহানপুরে একটি কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হবে। দিয়াড়ের উন্নয়ন করা হবে, যাতে করে অঞ্চলে মানুষ আর অবহেলিত না থাকে। চরাঞ্চলে স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতের পাশাপাশি নৌÑঅ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করা হবে। তিনি আরো বলেন, তরুণদের নেতৃত্বেই আগামী দিনের বাংলাদেশ তৈরী হবে ইনশাআল্লাহ। আমরা দূর্নীতি বন্ধ করতে চাই। অফিস আদালতে দুর্নীতি বন্ধ করা হবে। বসবাসযোগ্য মানবিক ও নিরাপদ এবং ইনসাফের চাঁপাইনবাবগঞ্জ গড়ে তোলা হবে। আগামীতে সত্য, সুন্দর ও ন্যায়ের পক্ষে আমরা কাজ করে যাবো। নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন,
এদেশের জনগণ বিশেষ করে চাঁপাইনবাবগঞ্জের মানুষ সবসময়ই ন্যায়ের পক্ষে রয়েছেন। সুন্দর সমাজ গড়তে আপনরা কোন্ নেতৃত্ব আনতে চান, তাহলে সঠিক সিদ্ধান্ত নিবেন কাকে ভোট দিবেন। যে কোন ন্যায়ের বিবেচনায় দাঁড়িপাল্লা প্রতীক ভোটের অধিকার রাখে। তিনি আরও বলেন, অনেকে বলছেন বেকার ভাতা দেবেন, কিন্তু এটি অসম্মানের বিষয়। বেকার ভাতা নয়, বেকারদের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে। এ জেলায় ভারী ভারী শিল্প কলকারখানা গড়ে তোলার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। যেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ বাণিজ্যিক জেলা হিসেবে পরিগণিত হয় তার জন্য পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে। নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, নৌকা, লাঙ্গল দেখেছি, চাঁপাইনবাবগঞ্জের মানুষ আজ পরিবর্তন চাই। চাঁপাইনবাবগঞ্জের মানুষ একটি পরিবারের কাছে জিম্মি থাকতে চাই না। সব দেখেছি বারবার দাঁড়িপাল্লা এবার। এইবার নির্বাচিত হলে দলমত নির্বিশেষে ভূমিকা রাখা হবে ইনআশাল্লাহ। আমরা শোষক হবো না, আমরা সেবক হবো। ক্ষমতার পালা বদলের সাথে সাথে লুটপাটের রাজনীতির পালা বদল করতে চাই। তিনি আরো বলেন, দিয়াড় ও চরাঞ্চলের সামগ্রিক উন্নয়নে বিশেষ নজর থাকবে। শহরের সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও সহজতর করা হবে। তাই আসুন আগামী দিনে সুখী সমৃদ্ধি ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিন।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর জামায়াতের আমীর হাফেজ আব্দুল আলীমের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে, বক্তব্য রাখেন সাবেক এমপি অধ্যাপক মোহাঃ লতিফুর রহমান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ও সদর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোঃ মোখলেসুর রহমান প্রমুখ। শেষে ইউনিয়ন বিএনপির ২০ নেতাকর্মী জামায়াতে যোগদেন এবং তাদেরকে ফূলের মালা দিয়ে বরণ করে নেয়া হয়।