ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ-সাতকানিয়া আংশিক) আসনে এলডিপি চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদের ছেলে ও ১১ দল সমর্থিত ‘ছাতা’ প্রতীকের প্রার্থী ওমর ফারুক অল্প ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছেন। বেসরকারি ফলাফলে দেখা যায়, বিএনপি মনোনীত প্রার্থী জসিম উদ্দিন আহমেদ ৭৬ হাজার ৪৯৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ওমর ফারুক পেয়েছেন ৭৫ হাজার ৪৬৭ ভোট।

ছেলের পরাজয়ের পর শুক্রবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় কর্নেল (অব.) অলি আহমদ নির্বাচনে অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ তোলেন।

তিনি দাবি করেন, কয়েকটি কেন্দ্রে বিকেল সাড়ে ৪টার পর অপরিচিত ব্যক্তিরা প্রবেশ করে জোরপূর্বক ব্যালট বাক্সে ভোট দেন। একই সঙ্গে তার দলীয় নেতা-কর্মীদের দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়া এবং কিছু ক্ষেত্রে মারধর করে কেন্দ্রের বাইরে বের করে দেওয়ার অভিযোগও করেন তিনি।

ভিডিও বার্তায় তিনি আরও বলেন, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর নেতৃত্বে কয়েকটি গাড়িবহর বিভিন্ন এলাকায় ঘোরাফেরা ও মিছিল করলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। তিনি অভিযোগ করেন, তার ছেলে ওমর ফারুকের প্রায় সাড়ে চার হাজার ভোট বাতিল করা হয়েছে, যদিও এ বিষয়ে এজেন্টদের কাছে সুনির্দিষ্ট কারণ ব্যাখ্যা করা হয়নি।

অলি আহমদ দাবি করেন, পুরো নির্বাচনী প্রক্রিয়া ‘পরিকল্পিতভাবে’ পরিচালিত হয়েছে এবং অল্প ব্যবধানে পরাজিত হওয়া অন্য প্রার্থীদের ক্ষেত্রেও একই ধরনের কৌশল প্রয়োগ করা হয়েছে।

তবে সমর্থকদের শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, কারও সঙ্গে সংঘাতে জড়ানোর প্রয়োজন নেই এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসনের টহল জোরদার করা উচিত। তিনি আরও বলেন, নির্বাচন শুধু জয়-পরাজয়ের বিষয় নয়; জনগণের সেবায় তিনি ও তার পরিবার আগামীতেও কাজ করে যাবেন।