সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন একটি বেসরকারি টেলিভিশনের মুখোমুখি হয়ে এই সরকারে 'কিচেন কেবিনেট' থাকার বিষয়টি সামনে আনেন।

তৌহিদ হোসেনের এই বক্তব্যের পর প্রশ্ন উঠেছে, কারা ছিলেন 'কিচেন কেবিনেটের' সদস্য? এই বক্তব্য নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা গুঞ্জন শুরু হয় এবং অনেকেই ছাত্রনেতা থেকে উপদেষ্টার দায়িত্ব পাওয়া আসিফ মাহমুদের দিকে ইঙ্গিত করেন। সংবাদ সম্মেলনে সেই অভিযোগ পুরোপুরি নাকচ করে দেন তিনি। দাবি করেন, তিনি কিচেন কেবিনেটের সদস্য ছিলেন না।

সংবাদ সম্মেলনে আমেরিকার সাথে বাণিজ্য চুক্তির বিষয়েও নিজের সংশ্লিষ্টতা অস্বীকার করেন আসিফ মাহমুদ। তিনি জানান, এই চুক্তির বিষয়ে তাদের দল এনসিপির সাথে কোনো ধরনের আলোচনা করা হয়নি।

বাণিজ্য চুক্তির বিষয়ে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার দাবি, বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী (তৎকালীন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা) খলিলুর রহমান বিএনপির পরামর্শে অন্তবর্তীকালীন সরকারের ওপর দায় চাপাতে নির্বাচনের তিন দিন আগে চুক্তিটি করে। এই চুক্তি বিএনপি করিয়েছেন। এই চুক্তি তারেক রহমান করিয়েছেন। চুক্তির কোনো কিছু সংশোধন করতে চাইলে বিএনপি করুক বা বাতিলও করতে পারে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অনেক দেশই চুক্তি বাতিল করেছে।

বিসিবি নির্বাচন নিয়ে তিনি অভিযোগ করেন, এবারের বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচনে কেউ নিজের যোগ্যতায় কাউন্সিলর হয়নি, সবাই এসেছে পারিবারিক পরিচয়ে। ক্রীড়াকে পরিবারকরণ করেছে বিএনপি। অন্তবর্তীকালীন সরকারের সময় যোগ্য ব্যক্তিদের কাউন্সিলর করা হয়েছিল।

গরুর হাট নিয়ে বলেন, বিএনপি ঢাকার সকল হাট নিয়ন্ত্রন করছে, অনিয়ম করে বিভিন্ন অঅনুমোদিত স্থানে হাট স্থাপন করে কোরবানির পবিত্রতা নষ্ট করছে।