গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় বিএনপির প্রার্থী মো: ফারুক আলম সরকারের সমর্থকদের হামলায় স্বতন্ত্র প্রার্থী মো: নাহিদুজ্জামানের দুই কর্মী আহত হয়েছেন। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টার দিকে উপজেলার ঘুড়িদহ ইউনিয়নের সুজালপুল বাজারে এ ঘটনা ঘটে। এরআগে, বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দিনগত রাতে সাঘাটা উপজেলার ৫নং কচুয়া বাজার এলাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী নাহিদুজ্জামান নিশাদের কর্মী নুরুজ্জামান সরদারের বাড়িতে প্রবেশ করে ৩টি মোটর সাইকেলে অগ্নিসংযোগ করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী নাহিদুজ্জামান নিশাদ (হাঁস প্রতীক) নির্বাচনে অংশ নেয়ার ফলে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। বুধবার রাতে বিএনপির প্রার্থী মো: ফারুক আলম সরকারের সমর্থকরা সুজালপুল বাজারের পল্লী চিকিৎসক আব্দুর রশিদের দোকানে গিয়ে বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। এক পর্যায়ে বিএনপির সমর্থকদের হামলায় আব্দুর রশিদ ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর আরো এক সমর্থক গুরুতর আহত হন।
পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে সাঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। আহতদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন।
নাহিদুজ্জামান নিশাদ নয়া দিগন্তকে বলেন, ‘গত দুই সপ্তাহে আমাদের নয়টি মোটরসাইকেল পুড়িয়ে ১০ থেকে ১২ জনকে আহত করেছেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মো: ফারুক আলমের লোকজন। এভাবে চলতে থাকলে নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ থাকবে না। সাঘাটা থানায় মামলা করার পরেও আমরা নিরাপদে কাজ করতে পারছি না।’
এই বিষয়ে মো: ফারুক আলম সরকার বলেন, ‘আমি গতকাল সকাল ৯টায় নির্বাচনী কাজে ফুলছড়ি উপজেলার উরিয়া ইউনিয়নে ছিলাম। রাত ১১টায় বাসায় ফিরেছি। সাঘাটায় মারামারির বিষয়ে কিছুই জানি না।’
সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। নির্বাচন সুষ্ঠু করতে আমরা সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছি।’