মান্না আনিসুল জারাসহ সারাদেশে শতাধিক প্রার্থিতা বাতিল

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জমা পড়া মনোনয়নপত্রের যাচাই-বাছাইয়ের কাজ চলমান রয়েছে। গতকালের বাছাইয়ে বেশ কয়েকজন হেভিওয়েট প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। সারাদেশের রিটার্নিং অফিসারগণ বাছাই শেষে বিভিন্ন কারণে শতাধিক প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র বাতিল করেছেন। আর বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপির প্রধানসহ শীর্ষনেতাদের মনোনয়ন পত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। ঢাকার ২০টি আসনে তিনজন রির্টানিং কর্মকর্তা যাচাই বাছাই করে ১৭৪ জনের প্রার্থিতা বৈধ বলে ঘোষণা দিয়েছেন। আর ৭৪জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।

ঢাকা-১৫ আসনে জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান, ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও ঢাকা-১১ আসনে এনসিপির আহবায়ক নাহিদ ইসলামের মনোনয়ন পত্র বৈধ বলে ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়াও বগুড়া-৬ আসনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। বগুড়া-৭ আসনে খালেদা জিয়া ইন্তিকাল করায় তার প্রার্থিতা সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে।

এদিকে গতকাল সারাদেশে শতাধিক প্রার্থিতা বাতিলের মধ্যে রয়েছেন, মনোনয়ন ফরমে তথ্য অসংগতির কারণে বগুড়া-২ আসনে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, ভোটার তালিকার স্বাক্ষর এবং তথ্যে গরমিল থাকায় ঢাকা-৯ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সাবেক নেত্রী এবং চিকিৎসক তাসনিম জারা, মনোনয়নপত্রের স্বাক্ষরের সাথে নির্বাচন কমিশনে থাকা দলীয় স্বাক্ষরের মিল না থাকায় চট্টগ্রাম-৫ আসনে আনিসুল ইসলাম মাহমুদের প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে। তারা আগামী ৯ জানুয়ারীর মধ্যে নির্বাচন কমিশনে আপিল করতে পারবেন।

মনোনয়ন বাতিলের কারণ সর্ম্পকে রির্টানিং কর্মকর্তারা বলেছেন, অধিকাংশ ক্ষেত্রে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের সমর্থক তালিকায় অনিয়ম, ঋণখেলাপি সংক্রান্ত সমস্যা, হলফনামায় স্বাক্ষরের অভাব, অসম্পূর্ণ বা ভুল কাগজপত্র, রাজনৈতিক দলের নিবন্ধনসংক্রান্ত জটিলতা এবং অনুমোদিত দলীয় প্রতিনিধির স্বাক্ষর না থাকায় মনোনয়ন বাতিল হয়েছে।

ঢাকা-১৫ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. মো. শফিকুর রহমান, বিএনপির শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন, বাংলাদেশ জাসদের মো. আশফাকুর রহমান, জনতার দলের খান শোয়েব আমানউল্লাহ ও গণফোরামের একেএম শফিকুল ইসলামের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। তবে দলীয় মনোনয়নপত্র যথাযথ না হওয়ায় সিপিবির প্রার্থী সাজেদুল হক রুবেল, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির মোবারক হোসেন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী তানজিল ইসলামের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। এছাড়া জাতীয় পার্টির শামসুল হকের মামলা তথ্য নিয়ে মনোনয়নপত্র সিদ্ধান্ত পরে দেওয়া হবে।

ঢাকা-১৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী ববি হাজ্জাজ ও খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মুহাম্মাদ মামুনুল হকসহ ছয়জনের মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে। আর বাতিল হয়েছে পাঁচজনের। এই আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন ১১ জন প্রার্থী।

গতকাল রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে ১৫ ও ১৩ এর রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. ইউনুচ আলী প্রার্থীদের উপস্থিতিতে এমন সিদ্ধান্ত দেন। মো. ইউনুচ আলী হচ্ছেন ঢাকার আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা।

তিনি বলেন, ঢাকা-১৩ আসনে ১১টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে ছয়টি বৈধ, পাঁচজনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। বৈধ হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী সোহেল রানা, খেলাফত মজলিসের মামুনুল হক, বিএনপির প্রার্থী ববি হাজ্জাজ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুরাদ হোসেন, বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টির মো. শাহাবুদ্দিন ও ইনসানিয়াত বিপ্লবের ফাতেমা আক্তার মুনিয়া।

বাতিল হয়েছে স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ মো. রবিউল ইসলাম, গণঅধিকার পরিষদের মিজানুর রহমান, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের শাহরিয়ার ইফতেখার, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের মো. খালেকুজ্জামান ও আমজনতার দলের প্রার্থী রাজু আহমেদের মনোনয়নপত্র।

ঢাকা সিটির ১৩টি আসনে বৈধ মনোনয়নপত্র ১১৯টি, বাতিল ৫৪টি

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঢাকার ১৩টি আসনে ২৫৩টি মনোনয়নপত্র বিক্রি হয়েছে। এরমধ্যে মনোনয়নপত্র জমা দেন ১৭৪ জন প্রার্থী। যাচাই-বাছাই শেষে ১১৯টি মনোনয়নপত্র বৈধ বলে বিবেচিত হয়েছে। বাতিল করা হয়েছে ৫৪টি। একটি মনোনয়নপত্র স্থগিত রাখা হয়েছে। ১৩টি আসনেই বিএনপির সব প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় সেগুনবাগিচায় ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র যাচাই শেষে এসব তথ্য জানান ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার ও রিটার্নিং কর্মকর্তা শরফ উদ্দিন আহমেদ।

রিটার্নিং কর্মকর্তা বলেন, স্থগিত রাখা মনোনয়নটি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ আশরাফুল হকের, যিনি ঢাকা-১৮ আসন থেকে মনোনয়নপত্র জমা দেন। তিনি সম্পূরক হলফনামা দাখিলের জন্য সময় চাওয়ায় তার মনোনয়নপত্র আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে।

মনোনয়নপত্র বাতিলের কারণ সম্পর্কে শরফ উদ্দিন বলেন, অধিকাংশ ক্ষেত্রে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের সমর্থক তালিকায় অনিয়ম, ঋণখেলাপি সংক্রান্ত সমস্যা, হলফনামায় স্বাক্ষরের অভাব, অসম্পূর্ণ বা ভুল কাগজপত্র, রাজনৈতিক দলের নিবন্ধনসংক্রান্ত জটিলতা এবং অনুমোদিত দলীয় প্রতিনিধির স্বাক্ষর না থাকায় মনোনয়ন বাতিল হয়েছে।

তিনি আরও জানান, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) কয়েকজন প্রার্থীর ক্ষেত্রে দলটির সাধারণ সম্পাদকের পদবি সংক্রান্ত তথ্যের অসামঞ্জস্য থাকায় বিষয়টি তার এখতিয়ারভুক্ত নয়। সংশ্লিষ্ট দল চাইলে নির্বাচন কমিশনের কাছে বিষয়টি উত্থাপন করতে পারবে।

মনোনয়ন বাতিলের পেছনে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ প্রসঙ্গে রিটার্নিং কর্মকর্তা বলেন, মত প্রকাশের স্বাধীনতায় সবাই অভিযোগ তুলতেই পারেন। তবে আমরা সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে যাচাই-বাছাই করেছি। বাতিল হওয়া প্রত্যেক প্রার্থীকে লিখিতভাবে কারণ জানানো হবে।

শরফ উদ্দিন আহমেদ জানান, বাতিল হওয়া প্রার্থীরা আগামী ৫ জানুয়ারি থেকে ৯ জানুয়ারির মধ্যে নির্বাচন কমিশনে আপিল করতে পারবেন। প্রয়োজনে তারা আদালতের দ্বারস্থও হতে পারবেন।

রিটার্নিং কর্মকর্তা আরও নিশ্চিত করেন, ঢাকার ১৩টি আসনে বিএনপির দাখিল করা সব মনোনয়নপত্রই বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। বাতিল হওয়া মনোনয়নপত্রের বেশিরভাগই স্বতন্ত্র প্রার্থীদের।

ঢাকা জেলার ৫টি আসনে ১২ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল :

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা জেলার ২০টি আসনের মধ্যে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে যাচাই-বাছাই হওয়া পাঁচটি আসনে ১২ জনের প্রার্থিতা বাতিল করেছেন ঢাকা জেলা প্রশাসন। এই পাঁচটি আসনের ৪৪ জন প্রার্থীর মধ্যে বৈধভাবে গৃহীত হয়েছে ৩০ জন। বাকি ১ জন প্রার্থীর মনোনয়ন স্বাক্ষর জটিলতার কারণে স্থগিত রয়েছে। অন্যটি প্রত্যাহার করা হয়েছে।

গতকাল শনিবার বিকালে ঢাকা জেলা প্রশাসক রেজাউল করিম ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করা প্রার্থীদের মধ্যে, ঢাকা- ১ আসনের ২ জন, ঢাকা -২ আসনে ১ জন, ঢাকা -৩ আসনে ৮ জন, ঢাকা-১৯ আসনে ১ জনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়। জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে যাচাই-বাছাই হওয়ার পাঁচ আসনের মধ্যে শুধুমাত্র ঢাকার ২০ আসনের কোনও মনোনয়ন বাতিল হয়নি। মনোনয়ন বাতিল হওয়া প্রার্থীরা আগামী ৫ জানুয়ারি থেকে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন (ইসি) বরাবর আপিল করতে পারবেন জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক রেজাউল করিম।

দলভিত্তিক ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের মনোনয়নপত্র বাতিল করেছে জেলা প্রশাসন। বাতিল হওয়া প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন ঢাকা-২ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী কর্নেল (অব.) আব্দুল হক এবং ঢাকা-১ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী নূরুল ইসলাম। জেলা প্রশাসনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বাতিল হওয়া মোট ১২ জন প্রার্থীর মধ্যে ৯ জনই স্বতন্ত্র।

ঢাকা-১ আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন সাতজন প্রার্থী। এর মধ্যে দুইজনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে পাঁচজনের মনোনয়ন। তারা হলেনÑ বিএনপির খন্দকার আবু আশফাক, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. নজরুল ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফতে মজলিশের ফরহাদ হোসেন, জাতীয় পার্টির মো. নাসির উদ্দিন মোল্লা এবং বাংলাদেশ লেবার পার্টির শেখ মোহাম্মদ আলী। বাতিল হওয়া প্রার্থীদের মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী অন্তরা হুদা রয়েছেন।

ঢাকা-২ আসনে তিনজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী কর্নেল (অব.) আব্দুল হকের মনোনয়ন বাতিল করা হলেও বিএনপির আমানউল্লাহ আমান এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জহিরুল ইসলামের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

ঢাকা-৩ আসনে মোট ১৬ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। এর মধ্যে বিএনপি মনোনীত গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এবং জামায়াতে ইসলামীর মো. শাহিনুর ইসলামসহ আটজনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেছে ঢাকা জেলা রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়। ঋণখেলাপিসহ এক শতাংশ ভোটারের তথ্যের গরমিলের অভিযোগে বাকি আটজনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। বাতিল হওয়া আটজনের মধ্যে সাতজনই স্বতন্ত্র প্রার্থী। তারা হলেনÑ মনির হোসেন, রেজাউল কবীর, মোজাদ্দেন আলী, নাজিম উদ্দিন, পারুল মোল্লা, মো. বেলাল হোসেন ও রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ।

এছাড়া ঢাকা-১৯ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. হারুনূর রশীদ এবং একই আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. ফারুখের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।

ঢাকা-১৯ আসনে মোট ১১ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। এর মধ্যে ১০ জন দলীয় প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেন রিটার্নিং অফিসার মো. রেজাউল করিম। একমাত্র স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. হারুনূর রশীদের মনোনয়ন বাতিল করা হয়। কারণ হিসেবে জানানো হয়েছে, তার এক শতাংশ ভোটারের তালিকায় ১০ জন ভোটারের তথ্য সঠিকভাবে যাচাই পাওয়া যায়নি এবং হলফনামা দাখিল করা হয়নি।

ঢাকা-১৯ আসনে বৈধ মনোনয়ন পাওয়া প্রার্থীরা হলেনÑ বিএনপির দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, জামায়াতে ইসলামীর মো. আফজাল হোসাইন, জাতীয় পার্টির মো. বাহাদুর ইসলাম, এনসিপির দিলশানা পারভীন, গণঅধিকারের শেখ শওকত হোসেন, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির ইসরাফিল ইসলাম সাভারী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. ফারুখ খান, খেলাফত মজলিশের একেএম এনামুল হক, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের মো. কামরুল এবং এনডিপির চৌধুরী হাসান সোরোয়ার্দী।

ঢাকা-২০ আসনে একমাত্র সব প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন। বৈধ প্রার্থীরা হলেনÑ বিএনপির মো. তমিজ উদ্দিন, জাতীয় পার্টির আহসান খান, এনসিপির নাবিলা তাসনিম, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. আব্দুর রউফ, খেলাফত মজলিশের আশরাফ আলী এবং বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের মো. আরজু মিয়া।

এর আগে গত ২৯ ডিসেম্বর সোমবার ঢাকা জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার মো. রেজাউল করিম ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ঢাকা জেলার পাঁচটি আসনে মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেন। ওইদিন মোট ৪৪ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র নিলেও ২১ জন জমা দেননি।

ঢাকা জেলা প্রশাসক জানান, ঢাকা-১ আসনে আটজন, ঢাকা-২ আসনে তিনজন, ঢাকা-৩ আসনে ১৬ জন, ঢাকা-১৯ আসনে ১১ জন এবং ঢাকা-২০ আসনে ছয়জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন।

এর আগে গত ১১ ডিসেম্বর জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন। পরে ১৮ ডিসেম্বর সংশোধিত প্রজ্ঞাপন জারি করে নির্বাচন কমিশন। সংশোধিত তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র বাছাই চলবে ৩০ ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে ৫ থেকে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত। আপিল নিষ্পত্তি হবে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারি। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি। ২১ জানুয়ারি চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ও প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। নির্বাচনি প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি এবং চলবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা পর্যন্ত। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ ফেব্রুয়ারি।