নির্বাচনে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ তুলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন ১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে বৈঠকটি শুরু হয়।
বৈঠকে উপস্থিত রয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ এইচ এম হামিদুর রহমান আজাদ, ১১ দলীয় ঐক্যের লিয়াজোঁ কমিটির মিডিয়া সমন্বয়ক এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন, বাংলাদেশ লেবার পার্টির মোস্তাফিজুর রহমান ইরান ও এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা।
এর আগে, শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বৈঠকের বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, নির্বাচনের দিন বিভিন্ন আসনে জালিয়াতি, ভোট প্রদানে বাধা, এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া এবং ফলাফল শিটে ওভাররাইটিং ও ঘষামাজার মতো অনিয়মের ঘটনা ঘটেছে। এসব বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছিল।
জুবায়ের অভিযোগ করেন, কিছু আসনে ফল প্রকাশে অস্বাভাবিক দেরি হয়েছে, আবার কিছু আসনে ‘বিদ্যুৎগতিতে’ ফল ঘোষণা করা হয়েছে। এতে পক্ষপাতদুষ্ট আচরণের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। যেসব আসনে নির্বাচনি আচরণবিধি মানা হয়নি এবং অনিয়ম হয়েছে, সেসব আসনে পুনর্গণনার আবেদন করা হবে বলে জানান তিনি। একই সঙ্গে সম্ভাব্য সব ধরনের আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও বলেন।
অনুষ্ঠিত নির্বাচনের ৩০টি আসনে পুনর্গণনার আবেদন করা হবে বলে জানা গেছে। সেগুলোর মধ্যে রয়েছে ঢাকা-৭, ঢাকা-৮, ঢাকা-১০, ঢাকা-১৩, ঢাকা-১৭, পঞ্চগড়-১, ঠাকুরগাঁও-২, দিনাজপুর-৩, দিনাজপুর-৫, লালমনিরহাট-১, লালমনিরহাট-২, গাইবান্ধা-৪, বগুড়া-৩, সিরাজগঞ্জ-১, যশোর-৩, খুলনা-৩, খুলনা-৫, বরগুনা-২, ঝালকাঠি-১, পিরোজপুর-২, ময়মনসিংহ-১, ময়মনসিংহ-৪, ময়মনসিংহ-১০, কিশোরগঞ্জ-৩, গোপালগঞ্জ-২, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫, চাঁদপুর-৪, চট্টগ্রাম-১৪ ও কক্সবাজার-৪।